মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
বাঁশের খুপরিতেই নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে গোলজান বেওয়ার

বাঁশের খুপরিতেই নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে গোলজান বেওয়ার

অনলাইন ডেস্কঃ চাটি বেড়া, টিনের ছাউনি, অর্ধেক মাটির তৈরি দেয়াল, ফুটো টিন, পলিথিন আর বাঁশের জোড়াতালি দেওয়া দরজা। দেখে মনে হবে কোনো হতদরিদ্র পরিবারের রসুইঘর বা গোয়ালঘর। কিন্তু না, কাছে গিয়ে বুঝতে পারবেন, এখানেই কোনোরকমে নিদারুণ কষ্টে বসবাস করে দিন পার করেন গোলজান বেওয়া (৬৫)।

‘দেশে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না’, এমন প্রতিশ্রুতির আলোকে মুজিববর্ষে সম্প্রতি কয়েক ধাপে হাজার হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ পাকা ঘর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু এসব ভাগ্যবানদের কাতারে নাম নেই গোলজান বেওয়ার।

দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের উত্তর পাড়ায় বসবাস গোলজান বেওয়ার। সরেজমিনে গেলে গোলজান বেওয়া  বলেন, খুব কষ্ট করি খুপরিটার ভিতর থাকো। পানি পড়ে, ঝড়-বাতাস হইলে ভয় নাগে, কখন যে ভাঙ্গি পড়ে। খুব কষ্ট করি থাকো বা। দেখার কাহ নাই। তিনটা বেটা মোর দেখাশুনা করে না। বেটাদের দিন চলে না। তারা দিন আনি দিন খায়। হামরা গরিব মানুষ, তাও চেয়ারম্যান-মেম্বাররা হামাক কিছুই দেয় না।

তিনি আরও বলেন, সারাদিন মানুষের কাছত চায়-খুঁজি খাই। সরকার যদি মোক একটা নাল টিনআলা বাড়ি গিলা দেইল হায়, তাইলে মুই ভালো করি বাকি জীবনটা কাটানু হায়।

প্রতিবেশী হাসিনা বানু বলেন, গোলজান বেওয়ার ছেলেরা তাকে দেখাশোনা করে না। খবার নেয়ার মতন মানুষ নেই তার। নিজে ভিক্ষা করে চায়া-খুঁজি খায় মানুষের কাছ থেকে। সরকার যদি গোলজান বুবুকে একটা বাড়ি-ঘর করি দেয়, তাহলে এই বয়সে তাকে কষ্ট করে থাকতে হবে না।

উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নরেন্দ্র নাথ রায়  বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষে সম্প্রতি যে বাড়িগুলো দিয়েছেন, তা হলো, যাদের সরকারি জমির ওপর বাড়ি ছিল, তাদের পুরোনো ঘর ভেঙে লাল টিনের ছাউনির বাড়িগুলো উপহার দেওয়া হয়েছে। এমন নির্দেশনাও দেওয়া ছিল ওপর থেকে। কিন্তু গোলজান বেওয়ার সরকারি জমির ওপর বাড়ি না থাকায় তাকে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, আমার হাতে এখন ঘরের বরাদ্দ নেই। আমাকে ভোটার আইডি ও ছবি জমা দিলে পরবর্তী সময়ে ঘরের বরাদ্দ এলে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24