শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ :
সাড়ে ৪ ঘণ্টা আগে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু ২৪ বছর পর থামলো ব্রাজিলের রেকর্ডযাত্রা ইতিহাস গড়া গোল করে কেন লাল কার্ড দেখলেন আবুবাকার? ‘দ্বিতীয়’ ব্রাজিল জিততে পারল না ব্রাজিলকে হারিয়েও হতাশায় পুড়ল ক্যামেরুন ‘ইপাসি’ দেওয়ালে প্রথমার্ধে দুঃস্বপ্ন ব্রাজিলের ঢাবিতে গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু নিরাপদ ক্যাম্পাস দাবিতে বিক্ষোভ রোনালদোদের হারিয়ে কোরিয়ার উৎসব চোখের জলে সুয়ারেজ-কাভানিদের বিদায় আইপিএলের নিলামে সাকিব-মোস্তাফিজসহ ৬ বাংলাদেশি রাজশাহীতে পৌঁছালেন মির্জা ফখরুল মিসেস এশিয়া বাংলাদেশের আয়োজকদের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ প্রতিযোগী রাহা’র সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজকদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক-সব দিকেই টর্চার করেছে: সারিকা প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ
পাকিস্তানে ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, দেশজুড়ে তোলপাড়

পাকিস্তানে ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, দেশজুড়ে তোলপাড়

সংগৃহিত ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পাকিস্তানের ওকারা শহরে একটি ছাগলকে ধর্ষণ পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের গ্রেফতারে অভিযান নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শহরের সাতঘরা এলাকায় ছাগলটিকে ধর্ষণ এবং হত্যা করে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। আজহার হোসেন নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার পোষা ছাগলটিকে কয়েকজন মিলে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে।

সাতঘরা পুলিশের কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বিবিসিকে বলেন, ছাগলটির মৃতদেহ উদ্ধার করে একটি পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্তে ছাগলটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, হাসপাতালের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তারা একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছেন।

আজহার হোসেন বলেছেন, তার ছাগলটির মূল্য ছিল ৬০ হাজার পাকিস্তানি রুপি। ছাগলটি তার ঘরের সামনে বাঁধা ছিল। অভিযুক্তরা বাঁধন খুলে একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ছাগলটিকে ধর্ষণ করে তারা। ছাগলটিকে নির্যাতনও করে তারা।

পুলিশের কাছে তিনজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেছেন আজহার হোসেন। বাকী অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা।

তিনি পুলিশকে বলেছেন, ঘরের সামনে ছাগলটিকে বাঁধা না দেখতে পেয়ে তিনি কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে খুঁজতে বের হন। এক পর্যায়ে তারা দেখতে পান অভিযুক্তরা ছাগলটিকে নির্যাতন করছে। দূর থেকে তাদের দেখতে পেয়ে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তিনি ছাগলটির কাছে পৌঁছে দেখেন সেটি মরে গেছে।

হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের যে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে তাতে স্পষ্টভাবে যৌন ক্রিয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের ধরার পর তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য।

পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বলেছেন, একজন মানুষের সাথে এ ধরনের অপরাধ ঘটলে যতটা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হতো, এক্ষেত্রেও সেই একই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ৪২৯ ও ৩৭৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

৪২৯ ধারা অনুযায়ী কোন প্রাণীকে হত্যা, আহত কিংবা বিকলাঙ্গ করা হলে দশ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা দুই বছরের কারাদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

পুলিশ বলছে, মানুষের সাথে অস্বাভাবিক যৌন অপরাধের যে শাস্তি, কোনও প্রাণীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের শাস্তিও সেই একই।

পাকিস্তানি দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী, প্রকৃতির নিয়মকে অগ্রাহ্য করে কেউ যদি কোনও পুরুষ, মহিলা কিংবা কোনও প্রাণীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, তাহলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *