সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
ভার্চুয়ালি সংসদে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়ালি সংসদে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী

বুধবার সংসদে তোলা শোক প্রস্তাবের আলোচনায় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য রাঙ্গাঁ করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কয়েকটি উন্নত দেশে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্লামেন্ট অধিবেশন পরিচালনার কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড ও কানাডা তিনটি দেশের কথা জানি। তারা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্লামেন্ট পরিচালনা করছেন। তাদের অনেকেই সংসদে আসছেন না। সংসদ সদস্য হিসেবে আমাদের সংসদে আসতে অসুবিধা নেই, কিন্তু জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি সংসদে না এসে যদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উনি বাড়িতে থেকে যদি কথা বলতেন আমরা নিশ্চিন্ত হতাম।”

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বুধবার শুরু হয়েছে সংসদের বাজেট অধিবেশেন; মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরে এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার দরকার নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যাকে প্রয়োজন রয়েছে। আমি অনুরোধ করব, প্রধানমন্ত্রী যদি সম্ভব হয় আপনি বাসা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই পার্লামেন্টে অংশগ্রহণ করুন।”

এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন তাকে শোক প্রস্তাবের ওপর কথা বলার জন্য তাগাদা দেন। পরে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় শেখ হাসিনা তার ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেন।

নিজের জীবন নিয়ে কোনো চিন্তা করেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জন্ম যখন হয়েছে মরতেই হবে। তাই গুলি খেয়ে মরি, বোমা খেয়ে মরি, করোনাভাইরাসে মরি, অসুস্থ হয়ে মরি। এখন কথা বলতে বলতেও মরে যেতে পারি। মৃত্যু যখন অবধারিত তখন মৃত্যুকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় কখনও পাইনি, পাব না। আল্লাহ জীবন দিয়েছে জীবন আল্লাহ একদিন নিয়ে যাবে- এটাই আমি বিশ্বাস করি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বুধবার শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনা শেষে প্রয়াতদের জন্য মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য সাংসদরা। “আল্লাহ মানুষকে কিছু কাজ দেয় সেই কাজটুকু করতে হবে। আল্লাহ আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে। যতক্ষণ এই কাজটুকু শেষ না হবে ততক্ষণ কাজ করে যাব। কাজ শেষে আমিও চলে যাব। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।”

শেখ হাসিনা বলেন, “আমি এখানে (বাংলাদেশে) বেঁচে থাকার জন্য আসিনি। জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি। এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কী আছে?”

জীবনের মায়া করলে কিংবা ভীত হলে ’৭৫ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর তিনি দেশে আসতেন না বলেও মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24