সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
বর্ষার আগেই নৌকা তৈরির ধুম

বর্ষার আগেই নৌকা তৈরির ধুম

জেলা প্রতিনিধিঃ এখনো আসেনি বর্ষার সু-বাতাস। বর্ষা আসবে বলে চলনবিলের জেলেরা নৌকা তৈরিতে ও মেরামত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের মনে এখন আনন্দ বিরাজ করছে। কেননা বছরের অন্য মাসগুলো তাদের যেমনি কাটুক তারা বর্ষার আগমনের অপেক্ষায় থাকে।

গত মঙ্গলবার নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারের নৌকা তৈরির কারখানাগুলোতে দেখা যায় নৌকা তৈরির ধুম। তৈরি করছে বিভিন্ন সাইজের নৌকা। এসকল নৌকা তৈরি হচ্ছে শিমুল, কাঁঠাল, মেহগনি, কালেক্টর, কড়ই, গোবরা জিবা, আম, কদম,বাটুলসহ আরো অন্যান্য গাছের কাঠ দিয়ে।

কাঠের বেপারী মো.আইনুল মোল্লা বলেন, বছরের অন্য মাসগুলো ব্যবসা খুব খারাপ চলে। কারিগররাও খুব কষ্টে সময় পার করে। মাঝ বর্ষার সময় হলেও এখনো বর্ষার কোনো পানি চলনবিলে আসেনি। তারপরও বর্ষার পানি যে কোনো সময় আসবে বলে সব কারখানাগুলোতে চলছে নৌকা তৈরির কাজ এবং জেলেরা করছেন মেরামত।

আমরা বিভিন্ন বাগান থেকে গাছ কিনে এনে মিলে সাইজ করি। এখন আমার কারখানায় প্রতিদিন ১৫-২০টি করে নৌকা তৈরি হচ্ছে। একটা নৌকা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা। একটা নৌকা তৈরির জন্য কারিগরদের পারিশ্রমিক দেয়া হয় ৭০০-৮০০ টাকা। সপ্তাহের প্রত্যেক শনিবার ও মঙ্গলবার হাট লাগে। হাটের দুই দিন আমাদের নৌকা বিক্রি বেশি হয়। তাছাড়াও কারখানা থেকে প্রতিদিন ৮-১০টা করে বিক্রি হচ্ছে। ক্রয় করতে আসছেন দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন এলাকার লোকজন। তারপরও চলনবিলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমরা বেশি ক্রেতা পাই।

নৌকা তৈরির কারিগর মো.আব্দুল আলিম বলেন, আমরা বর্ষা মৌসুমের অপেক্ষায় থাকি। কেননা বর্ষা মৌসুমের সময় আমাদের কাজের অনেক চাপ থাকে। প্রতিদিন গড়ে ২-৩ টা করে নৌকা তৈরি করতে পারি। পারিশ্রমিক ও ভালো। একটা নৌকা তৈরি করলে আমরা ৭০০-৮০০ টাকা করে পাই।

চাঁচকৈড় হাটে চলনবিল থেকে নৌকা কিনতে আসা নাজমুল, সোহাগ, রবিউল, বাবুসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতা বলেন, প্রত্যেক বর্ষাতেই আমরা চাঁচকৈড় হাটে নৌকা কিনতে আসি। এখান থেকে নৌকা ক্রয় করে নিয়ে যাই। বর্ষা মৌসুমে আমরা এই নৌকা দিয়ে মাছ শিকার থেকে শুরু করে পারাপার হই। এখানকার নৌকাগুলো অনেক ভালো এবং মজবুত। তাই এখান থেকে নৌকা ক্রয় করি।

চলনবিল অঞ্চলের জেলে মো.আফজাল হোসেন জানান, অল্প অল্প করে বর্ষার পানি চলনবিলে ঢুকছে। সম্পুর্ণভাবে বর্ষার পানি যে কোনো সময় আসতে পারে। তার জন্য আমরা স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজারের নৌকা তৈরির কারিগরদের কাছে গিয়ে নতুন নৌকা ক্রয় করছি। যাদের গত বছরের পুরাতন নৌকা আছে তারা এখন সেগুলো মেরামত করতে ব্যস্ত।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24