শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ :
সাড়ে ৪ ঘণ্টা আগে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু ২৪ বছর পর থামলো ব্রাজিলের রেকর্ডযাত্রা ইতিহাস গড়া গোল করে কেন লাল কার্ড দেখলেন আবুবাকার? ‘দ্বিতীয়’ ব্রাজিল জিততে পারল না ব্রাজিলকে হারিয়েও হতাশায় পুড়ল ক্যামেরুন ‘ইপাসি’ দেওয়ালে প্রথমার্ধে দুঃস্বপ্ন ব্রাজিলের ঢাবিতে গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু নিরাপদ ক্যাম্পাস দাবিতে বিক্ষোভ রোনালদোদের হারিয়ে কোরিয়ার উৎসব চোখের জলে সুয়ারেজ-কাভানিদের বিদায় আইপিএলের নিলামে সাকিব-মোস্তাফিজসহ ৬ বাংলাদেশি রাজশাহীতে পৌঁছালেন মির্জা ফখরুল মিসেস এশিয়া বাংলাদেশের আয়োজকদের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ প্রতিযোগী রাহা’র সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজকদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক-সব দিকেই টর্চার করেছে: সারিকা প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ
রংপুরে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতেই ঈদের কেনাকাটার ধুম

রংপুরে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতেই ঈদের কেনাকাটার ধুম

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রংপুরের মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোতে পড়েছে কেনাকাটার ধুম। শিশুসহ সব বয়সের নারী-পুরুষের পদচারণায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মুখরিত থাকছে বিপণি বিতানগুলো। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের পদচারণা। এর ফলে ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ। দম ফেলানোর ফুরসত নেই তাদের। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অভিজাত বিপণি বিতানগুলোতে রকমারী ডিজাইনের শাড়ী, থ্রি-পিস, লং কামিজ, সালোয়ার কামিজ, জিন্স, টি-শার্ট ও জুতাসহ বাহারি পণ্যের সমারোহ থাকলেও গত বছরের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতেই মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোতে বাহারি সব পণ্যের সমারোহ ঘটানোসহ আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সেলসম্যানের সংখ্যা।

এদের অধিকাংশই তরুণী। অনেকেই আবার বিক্রি বাড়ানোর জন্য মূল্য ছাড়ের পাশাপাশি আকর্ষণীয় পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ায় এসব দোকানে ক্রেতারাও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এবারের ঈদে ফুটপাত থেকে শুরু করে রংপুরের প্রায় ২৫টি মার্কেটের হাজার হাজার দোকানে গড়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যসামগ্রীর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল, প্রসাধনী, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্রোকারিজ ও ফার্নিচার সামগ্রী। এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে রংপুরে এবার বাহারী মোবাইল ফোনসেট এবং নতুন মোটর সাইকেল বিক্রিও বেড়ে গেছে। গতবারের চেয়ে এবার রংপুরের ফুটপাত থেকে শুরু করে মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোর ঈদের বাজার বেশ জমে উঠেছে।

জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্সের এক পোশাক বিক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবারের ঈদে ক্রেতাদের মাঝে দেশি পোশাকের কদর রয়েছে। এসব থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে এক হাজার পাঁচশ থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত। ঈদ যতোই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের সমাগম ততোই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে সব সময়ই মুখরিত থাকছে মার্কেটগুলো। সরেজমিনে রংপুর মহানগরীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্স, জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টার মার্কেট, হনুমানতলা মার্কেট, এরশাদ হকার্স মার্কেট, গোল্ডেন টাওয়ার, হাসি শপিং কমপ্লে­ক্স, কারুপণ্য, রজনীগন্ধা মার্কেট, মতিপ্লাজা, শাহ মোঃ ছালেক মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, বিপণি বিতানগুলো কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সের মানুষের পদচারণায় মুখরিত। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বেচাকেনা ততই বাড়ছে।

কেনাকাটা নির্বিঘ্নে নেওয়া হয়েছে পুলিশ ও ব্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশুদের ভিড়ে ব্যবসায়ীরা রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছে। এসব দোকানে সাতশ টাকা থেকে শুরু করে ২৫/৩০ হাজার টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী রয়েছে। বাজারে পোশাক এসেছে ভিন্ন ভিন্ন নামে বাহারি তৈরী কাপড় বাহুবলি, সারারা, ক্যাপ, রাজশাহী সিল্ক, এ্যান্ডিকটন, সুতি ও তসর, মেয়েদের লেহেঙ্গা, গেঞ্জিসেট, টপসেটসহ বাহারি পোশাক। তবে এসব ডিজাইনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্রেতা আকর্ষণ করছে বাহুবলি। এছাড়াও ঈদ বাজারে নারীদের পছন্দে রয়েছে বিভিন্ন রকমের শাড়ি ও লেহেঙ্গা। জর্জেট, ধুপিয়ান সিল্কের শাড়ি পছন্দ করছেন তারা। শাড়িসহ বিভিন্ন পোশাক পাওয়া যাচ্ছে পাঁচশ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। তরুণীদের জন্য রয়েছে থ্রি-পিস, বিপাশা বসু, জান্নাত, পাঙ্খখুরি, চেন্নাই, সোনাক্ষী, তুমিলি, ছানছান, ছাম্মাক ছালো, উলালাসহ বিভিন্ন বাহারি পোশাক। বাচ্চাদের শার্ট-প্যান্ট পাওয়া যাচ্ছে তিনশ থেকে দুই হাজার টাকায়। জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট ঈদের পোশাক কিনতে আসা আরাফিয়া খাতুন সাথে কথা হলে তিনি জানান, এই ঈদে নতুন ডিজাইনের বেশি পোশাক বাজারে আসেনি।

অনেক দোকান ঘুরেও পোশাক পছন্দ হচ্ছে না। পোশাক বিক্রেতা রুস্তম আলী বাজারে নতুন ডিজাইনের পোশাক কম এসেছে স্বীকার করে বলেন, এই ঈদে নতুন ডিজাইনের পোশাক কম আসলেও পুরাতন ডিজাইনের পোশাক নতুন আঙ্গিকে বাজারে এসেছে। জানা যায়, পবিত্র রমজান মাস শুরুর সাথে সাথেই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রংপুরের কাপড়, জুতা-স্যান্ডেল, প্রসাধনী, ক্রোকারিজ, ইলেক্ট্রনিক্সসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা তাদের শো-রুমে নতুন নতুন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের পণ্যসামগ্রীর মজুদ বৃদ্ধি শুরু করেন। ঈদ উপলক্ষে নগরীর নতুন নতুন কিছু দোকানপাটও চালু হয়েছে। গতবারের মতো এবারও রংপুরের মার্কেটগুলোতেও রকমারি ভারতীয় পণ্যের বিস্তার ঘটেছে। ক্রেতারাও ভারতীয় পণ্য ক্রয়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠায় দেশি পণ্যের চেয়ে ভারতীয় ও চায়না পণ্যসামগ্রী বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে মার্কেটগুলোতে ততোই ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। এদিকে ঈদ উপলক্ষে নগরীর পাড়া-মহল্লাতে যুবক-যুবতীরাও অস্থায়ীভাবে সৌখিন দোকান খুলে হরেক ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *