মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ

শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়ামকে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে তার স্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত ১০৪নং চরভাগা আক্কাছ হাওলাদার বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডিএম আবুল হোসেন ও মো. নিরব মিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে শিক্ষকের নির্যাতনে আহত সিয়ামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে তার স্বজনরা। সিয়াম (১১) উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের পেদাকান্দি গ্রামের মৃত শোহরাফ হোসেন বেপারীর ছেলে।
সিয়ামের মা সাহিদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, গত ২৮ ডিসেম্বর মরনব্যধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে আমার স্বামী মারা গেছেন। আমার এক ছেলে দুই মেয়ে। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালিন সময় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী নিপার সঙ্গে আমার ছেলের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার জেরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল ও অপর শিক্ষক মো. নিরব মিলে আমার ছেলেকে ব্রেঞ্চ থেকে মেঝেতে ছিঁটকে ফেলে দেয়। কান্না করলে এলোপাথারী কিল ঘুষি মারতে থাকে। শুনে দৌঁড়ে গিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করি। গুরুতর আহত অবস্থায় লোকজন নিয়ে সিয়ামকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। ছেলের মাথা, তলপেটসহ সারা শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা। ওর প্রস্রাব করতে সমস্যা হচ্ছে। আমার ছেলেকে যারা মারধর করেছে তাদের সঠিক বিচার চাই।

প্রধান শিক্ষক ডিএম আবুল হোসেন শিক্ষার্থী সিয়ামকে মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন, ক্লাসে কুইজ প্রতিযোগিতা ছিল, তখন নিরব স্যার ছিলেন। শিক্ষকের কাছে প্রতিযোগিতার লিখা আগে জমা দেয়া নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিপা ও সিয়ামের সাথে মারামারি হয়। সিয়াম নিপাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিতে থাকে। আমি রাগ করলেও শুনে না। পরে সিয়ামের মা ও তার নানাকে খবর দেই। তারা এসে ওকে নিয়ে যায়। এখন শুনি সিয়াম হাসপতালে ভর্তি হয়েছে। আমি সিয়ামকে মারধর করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

অপর শিক্ষক মো. নিরব মিয়া মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন, কোন শিক্ষকের কথা শুনছিল না সিয়াম। ব্রেঞ্চে দাঁড়িয়ে ঝগড়া করছিল। তাই ওর হাত ধরে টান দিলে মেঝেতে ছিঁটকে পরে যায়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহাবুবুর রহমান শেখ বলেন, এ ব্যাপারে তদন্তর জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ শেমল

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24