রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ :
সাড়ে ৪ ঘণ্টা আগে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু ২৪ বছর পর থামলো ব্রাজিলের রেকর্ডযাত্রা ইতিহাস গড়া গোল করে কেন লাল কার্ড দেখলেন আবুবাকার? ‘দ্বিতীয়’ ব্রাজিল জিততে পারল না ব্রাজিলকে হারিয়েও হতাশায় পুড়ল ক্যামেরুন ‘ইপাসি’ দেওয়ালে প্রথমার্ধে দুঃস্বপ্ন ব্রাজিলের ঢাবিতে গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু নিরাপদ ক্যাম্পাস দাবিতে বিক্ষোভ রোনালদোদের হারিয়ে কোরিয়ার উৎসব চোখের জলে সুয়ারেজ-কাভানিদের বিদায় আইপিএলের নিলামে সাকিব-মোস্তাফিজসহ ৬ বাংলাদেশি রাজশাহীতে পৌঁছালেন মির্জা ফখরুল মিসেস এশিয়া বাংলাদেশের আয়োজকদের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ প্রতিযোগী রাহা’র সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজকদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক-সব দিকেই টর্চার করেছে: সারিকা প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ
আরেক শিশুকে সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর

আরেক শিশুকে সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে আরেক শিশুকে সমাজসেবার পরিচালিত সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে চমেক হাসপাতাল থেকে পাঁচলাইশ মডেল থানার মাধ্যমে আতুরার ডিপো এলাকার সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গত ২৩ আগস্ট কুড়িয়ে পাওয়া আরও একটি শিশুকে সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের তৌহিদুল ইসলামের ১০ মাস বয়সী পুত্র সন্তান মো. আরিফ হোসেনকে শ্বাসকষ্ট ও কাশিজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ১ নম্বর ইউনিটের ৪-এ শয্যায় ভর্তি করা হয়। কিন্তু ওই দিন সাড়ে ১২টার পর থেকেই শিশুটির অভিভাবককে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচলাইশ থানার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সমাজসেবা পরিচালিত সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করে।

চমেক হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক মোছা. ইনসাফি হান্না বলেন, শিশুটিকে এতদিন মায়ের যত্ন দিয়ে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্সরা সেবা দিয়ে আসছিলেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়।

পাঁচলাইশ মডেল থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক অফিসার মনিরা আক্তার বলেন, গত ২২ অক্টোবর ১০ মাস বয়সী এক শিশুকে অভিভাবক হাসপাতালে ফেলে চলে যায়। এত দিন তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়। তবে শিশুটির অভিভাবক আর ফিরে আসেনি। ফলে আইনগত বিষয় অনুসরণ করে সরকারি সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়। শিশুটি এখন সেখানেই বড় হবে।

জানা যায়, গত ১৮ মে রাতে জেসমিন আক্তার সন্তান প্রসব করার পর থেকে স্বামীসহ উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে ওই নবজাতকের অভিভাবককে পাওয়া যায়নি। পরে গত ২৩ আগস্ট শিশুটিকে সোনা মনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে, গত ২৫ জুলাই নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন জাতিসংঘ পার্কের পাশে একটি পুটলিতে বাঁধা কন্যা নবজাতক পাওয়া যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এই শিশুর কপালে একটি জন্মগতভাবে মাংসপিণ্ড ছিল। অপারেশনের মাধ্যমে সেটি সারিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। তবে গত কিছু দিন পূর্বে শিশুটি মারা যায়।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *