রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
এখনও চলছে বৃষ্টির চিকিৎসা, পাশে আছে জেলা প্রশাসন

এখনও চলছে বৃষ্টির চিকিৎসা, পাশে আছে জেলা প্রশাসন

অনলাইন ডেস্কঃ নেত্রকোনার দুর্গাপুরে হাত-পা বেঁধে রাখা শিশু বৃষ্টির চিকিৎসা চলছে নিজ বাড়িতেই। জেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব উল আহসান বৃষ্টির চিকিৎসার দায়িত্বে আছেন। আপতত চিকিৎসকরা বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার পরার্মশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সাত বছর ধরে দুই হাত বেঁধে রাখা হয় শিশু জান্নাতুল বৃষ্টির (৮)। জাগো নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশের পর বৃষ্টির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় জেলা প্রশাসন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে জন্মের সময় বৃষ্টির নড়াচড়ায় কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করানো হয়। এক বছর যেতে না যেতেই শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ বাড়তে থাকে। মুক্ত অবস্থায় সে নিজেই নিজের মাথায় থাবড়াতে থাকে। হাত-পায়ে কামড়াতে থাকে। রাতে না ঘুমিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করে। লোকজনকে মারতে আসে। জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এসব কারণে নিরুপায় হয়ে তাকে সারাক্ষণ ঘরের খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়।

অসুস্থ বৃষ্টির বাবা শাহজাহান মিয়া বলেন, তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। সামান্য রোজগারে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় তার। এমন পরিস্থিতিতে মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারেননি তিনি। তবে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসন ও দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন মেয়ের চিকিৎসা করাচ্ছে। কিছু পরীক্ষা করানো যায়নি। মেয়েকে পরীক্ষার মেশিনে রাখা যায়নি। সে এখনো অস্থিরতা করে। হাত-পা ছুড়াছুড়ি করে।

দুর্গাপুরের ইউএনও রাজীব উল আহসান জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টির চিকিৎসা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করা হচ্ছে। ওই হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক ওয়াসিম আহমদ এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। চিকিৎসকেরা তাকে দেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। তবে কিছু পরীক্ষা করানো যাচ্ছে না। সে স্থীর হয়ে থাকতে পারছে না। এ কারণে আরো কিছুদিন ওষুধ প্রয়োগের পর তাকে বাকি পরীক্ষা করিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৯৩ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। তার বাবা খুবই গরিব। তাই আমরা তাকে দুই একদিনের মধ্যে একটি অটোরিকশা কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এর আগে নেত্রকোনার সাবেক জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান তার নিজ কার্যালয়ে শিশুটির মা-বাবার হাতে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার দশাল গ্রামের রাজমিস্ত্রি শাহজাহান মিয়া ও গৃহিণী আয়েশা খাতুনের মেয়ে জান্নাতুল বৃষ্টি। দুই বোনের মধ্যে সে বড়।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24