রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ১০:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
পদ্মাসেতুর ওপর টিকটক করে ভাইরাল

পদ্মাসেতুর ওপর টিকটক করে ভাইরাল

অনলাইন ডেস্কঃ পদ্মাপারে নতুন সকাল। রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টায় যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এর আগে, রাত থেকেই সেতুর দুই প্রান্তে ছিল গাড়ির দীর্ঘ সারি।

রোববার সকালে পদ্মাসেতু এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট পরিমাণ টোল দিয়ে যানবাহনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সেতুর ওপর দিয়ে পদ্মা পার হচ্ছে।

এদিকে নিজের টাকায় নিজের সেতুতে উঠে পদ্মা পাড়ি দেওয়া মানুষের আবেগ যেন ধরে রাখা দায়। তাদের মধ্যে বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। আর এ কারণে নিজের প্রথম সেতু দিয়ে পদ্মা পাড়ি দেওয়ার স্মৃতিগুলো ধরে রাখতে চায় সবাই।

সেতুর উপর দাঁড়ানো কিংবা হেঁটে সেতু পারি দেওয়া মানা হলেও প্রথম পদ্মসেতু দিয়ে পদ্মা পাড়ি দেওয়ার সেই স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে চায় সবাই। সে কারণেই নিজের আবেগের কাছে যেন নিয়মকে বিসর্জন দিয়েছেন অনেকেই। আর তাই পদ্মাসেতুর উপর টিকটক করতেও ছাড়েননি অনেকে।

ঠিক তেমনি এমনই এক ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে পদ্মাসেতুতে একজন টিকটক ভিডিও বানাতে মজে রয়েছেন। হালকা হলুদ রংয়ের শাড়ি পরে বিভিন্ন ভঙ্গিমায় টিকটকের ভিডিও বানাতে ব্যস্ত রয়েছেন সেই মহিলা। তারই পাশে আবার আরেকজন সাদা শাড়ি পরে টিকটকের জন্য ভিডিও বানাচ্ছেন। সেই সাদা শাড়ি পরা মহিলা আবার স্বপ্নের সেতুর উপর বসেও ভিডিও বানাতে কার্পণ্য করেনি।

বস্তুত পদ্মাসেতুর উপর দাঁড়ানো নিষেধ থাকলেও নিজেদের প্রথম যাত্রা স্মরণীয় করতে রাখতে অনেকেই সেতুর উপর এমন কাণ্ড করে বসছেন। নিজেদের আবেগ ধরে রাখতে না পেরেই এমনটা করা অনেকেরই। কিন্তু লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জন কার্লির মতে- আবেগ হলো বাতাসের মতো, আর সেটা ক্ষণিকের। আর পদ্মাসেতু নিয়ে দেশের মানুষের উচ্ছ্বাসের কোন কমতি ছিলো না। আর সে কারণেই উদ্বোধনের পরে সেতুর উপরে দাঁড়িয়ে এমনটা করছেন সবাই। কিন্তু আবেগের সেই বাতাস যখন মিশে যাবে তখন স্বপ্নের সেতু রূপ নিবে বাস্তবতার। সেতু দিয়ে মানুষ শুধু পারাপারই হবে, থাকবে না কোন দাঁড়িয়ে থাকার ইচ্ছা। তখন বাড়ি ফিরে স্বজনদের মুখ দেখার সেই প্রয়াসই দৃশ্যমান হবে পদ্মাপাড়ি দেয়া প্রতিটি মানুষের মুখে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24