বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
যমুনার পানি বিপৎসীমার উপরে, বন্যা আতঙ্কে নদী তীরবর্তীরা

যমুনার পানি বিপৎসীমার উপরে, বন্যা আতঙ্কে নদী তীরবর্তীরা

অনলাইন ডেস্কঃ  ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২০ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরের চরাঞ্চলের ফসলি জমিসহ বসতভিটা তলিয়ে গেছে। কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি মানুষ ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে, পানি বাড়ায় যমুনার অরক্ষিত অঞ্চল চৌহালী, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুরে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শতাধিক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের শিকার মানুষগুলো খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের। হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমির পাট, তিল, কাউন, বাদাম, শাক-সবজিসহ উঠতি ফসল নষ্ট হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকেরা। ঘাস ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যেরও সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়াও পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ ফুলজোড়, ইছামতি, করতোয়া, এনায়েতপুর খুকনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুল্লুক চাঁদ মিয়া জানান, ব্রাহ্মণ গ্রামের অন্তত ২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। কাজিপুরের তেকানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনর রশিদ জানান, চরাঞ্চলের প্রায় সব স্থান পানিতে তলিয়ে গেছে। চরগুলোতে পানি উঠায় গবাদী পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া মুন্সী জানান, ইতোমধ্যে বসতবাড়ির চারপাশে পানি থৈ থৈ করছে। যে হারে পানি বাড়ছে তাতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বসতভিটায় পানি উঠে যাবে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৗশলী নাসির উদ্দিন জানান, যমুনার পানি বর্তমানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ায় অরক্ষিত অঞ্চলে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রণে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় প্রায় ৪০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া ভাঙন রোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীর ২২ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও আতঙ্কের কিছুই নেই। পরিস্থিতি মোকাবেলা পাউবো প্রস্তুত রয়েছে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24