সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
মিঠু সিন্ডিকেটে জিম্মি রংপুর মেডিকেল

মিঠু সিন্ডিকেটে জিম্মি রংপুর মেডিকেল

অনলাইন ডেস্কঃ অভিযোগ উঠেছে, রংপুর মেডিকেলের পরিচালকের স্টেনো-কাম পিএ পদে বসে অলিখিতভাবে অ্যাকাউন্টস ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন মিঠুর ভাস্তি নওশীন। তবে হাসপাতাল পরিচালকের দাবি মিঠুকে চেনেন না তিনি।

স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুকে রংপুর মেডিকেলে দেখা গিয়েছিলো সেই ২০১২ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হকের সঙ্গে। এমআরআই মেশিন উদ্বোধন করতে এসেছিলেন মন্ত্রী। এই হাসপাতালের এসি, এক্সরে মেশিন, আইসিইউ থেকে শুরু করে সিসিটিভি স্থাপন ও সাপ্লাইয়ের সব কাজ করেছেন আলোচিত এই ঠিকাদার। মেশিনপত্রগুলোর কোনোটাই এখন আর সচল নেই।

বিদেশে অবস্থান করলেও রংপুর মেডিকেলে এখনও একচ্ছত্র প্রভাব স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর। মেডিকেলের যে কোনো নিয়োগ হয় মিঠু ও তার সিন্ডিকেটের ইচ্ছায়।

শুধু টেন্ডার বাগিয়ে নিম্নমানের মালামাল সাপ্লাই নয়, রংপুর মেডিকেলের যে কোনো নিয়োগ হয় মিঠু ও তার সিন্ডিকেটের ইচ্ছায়। অনেকের অভিযোগ, হাওয়া ভবন থেকে মিঠুর জন্ম হলেও তার প্রভাব বেড়েছে পরবর্তী সময়েও। মেডিকেলের কর্মচারী নেতা আব্রাহাম লিংকন ও সাপ্লায়ার শাহীন হত্যাকান্ড, তৎকালীন এমপি আসিফ শাহরিয়ারের ওপর হামলার জন্য সরাসরি মিঠুকে দায়ী করেন অনেকেই।

একজন বলেন, ‘অন্ততপক্ষে ৩ থেকে ৪টি হত্যাকাণ্ড আমরা কয়েক বছরে লক্ষ্য করেছি। এবং প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই তার দ্বারা সংঘঠিত হয়েছে।’ আরেকজন বলেন, ‘যদিও সে বিএনপির প্রোডাক্ট কিন্তু আওয়ামী লীগের সাথে সিন্ডিকেট বানিয়ে সে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে।’

মিঠু ও তার সিন্ডিকেট সরকারের শীর্ষ মহলে আলোচনায় এলে কয়েক মাস আগে দেশ ছাড়েন। তবে তার অনুপস্থিতিতে আপন বড় ভাই নুরুল হকের মেয়ে এই হাসপাতালের কর্মচারী উম্মে সুলতানা নওশীন এখন এই সিন্ডিকেটের দেখভাল করছেন বলে অভিযোগ অনেকের।

মিঠু সিন্ডিকেটের কর্মচারী সেলিম বলেন, ‘আপন ভাস্তি, গুডু ভাইয়ের বেটি হয় নওশীন। সে হাসপাতাল পরিচালকের পিএ ও নিজে হাসপাতালের অ্যাকাউন্টস অফিসার।’

আরেকজন বলেন, ‘নওশীন হাসপাতালে তিন তিনটি পদে আছে। এ কিভাবে থাকে?।’ তবে হাসপাতালের পরিচালক নওশীনের প্রশংসা করলেও মিঠুকে না চেনার দাবি করেছেন।

রংপুর মেডিকেলের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘মিঠু নামে আসলে আমি কাউকে চিনি না। অনেকে বলে আত্মীয় হতে পারে। আমি এখানে নতুন তাই চিনি না।’ নওশীন পরিচালকের পিএ’র পাশাপাশি দেখভাল করেন হাসপাতালের অ্যাকাউন্টসও। আবার বিভিন্ন টেন্ডার কমিটির সদস্যও।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24