শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
পুরুষের তুলনায় নারীরা ঘরের কাজে ৮ গুণ বেশি সময় দেয়

পুরুষের তুলনায় নারীরা ঘরের কাজে ৮ গুণ বেশি সময় দেয়

অনলাইন ডেস্কঃ পুরুষের তুলনায় নারীরা ঘরের কাজে ৮ গুণের বেশি সময় দেয় বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এমনটাই জানিয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত ‘টাইম ইউজ সার্ভে ২০২১’ এর তথ্য বলছে, পুরুষরা ঘরের কাজে দিনে প্রায় ১ দশমিক ৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন। গৃহস্থালি কাজ ছাড়াও এর মধ্যে আছে শিশু ও বৃদ্ধদের দেখাশোনার কাজ। অপরপক্ষে নারীরা এই কাজে প্রায় ১১ দশমিক ৭ ঘণ্টা ব্যয় করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের কাজ অনুৎপাদনশীল হিসেবে গণ্য হওয়ায় এতে কোনো স্বীকৃতি বা মজুরি নেই। উৎপাদনশীল কাজ হিসেবে স্বীকৃত কাজে নারীদের ব্যয় হয় ১ দশমিক ২ ঘণ্টা। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটা ৬ দশমিক ১ ঘণ্টা।

ঘরের কাজ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে উভয়ের সমান দায়িত্ব হলেও নারীদেরকেই এর ভার বহন করতে হয়। ২৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী নারীরা মজুরিবিহীন গৃহস্থালি কাজে দিনে ব্যয় করেন ৫ দশমিক ২ ঘণ্টা। একই  বয়স সীমার মধ্যে পুরুষরা এই ধরনের কাজ করেন শূন্য দশমিক ৬ ঘণ্টা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরের নারীরা এ কাজে সময় ব্যয় করেন ৪ দশমিক ৪ ঘণ্টা ও পুরুষরা ব্যয় করেন শূন্য দশমিক ৬ ঘণ্টা। আর গ্রামীণ এলাকায় নারীরা একই কাজে ব্যয় করেন ৪ দশমিক ৭ ঘণ্টা এবং পুরুষরা ব্যয় করেন শূন্য দশমিক ৬ ঘণ্টা।

প্রতিবেদন বলছে, যেসব নারীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই, তারা ঘরের কাজে সময় দেন ৪ দশমিক ১ ঘণ্টা। প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি পার হওয়া নারীদের ক্ষেত্রে এই সময়টা ৪ দশমিক ৯ ঘণ্টা এবং মাধ্যমিক ও তার ওপরের শিক্ষা নেওয়া নারীদের ক্ষেত্রে এই সময়টা যথাক্রমে ৪ দশমিক ৯ ঘণ্টা ও ৪ দশমিক ৩ ঘণ্টা।

সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত ৯৬ দশমিক ২১ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ সুবিধা ছিল। এর মধ্যে রান্নার জন্য লাকড়ির চুলা ব্যবহৃত হয় ৪৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ বাড়িতে। আর সমীক্ষায় অংশ নেওয়া নারীদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৫২ শতাংশ শহরে ও ৫৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ গ্রামে বাস করেন। গ্রামের তুলনায় শহরে বসবাসকারীদের মধ্যে এলপি ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৭ গুণ বেশি।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭২ দশমিক ৭৪ শতাংশ ব্যক্তির মোবাইল ফোন কেনার সঙ্গতি থাকলেও নারীদের মধ্যে মাত্র ৫৯ দশমিক ৯২ শতাংশের নিজের মোবাইল ফোন ছিল। অন্যদিকে, এ ক্ষেত্রে পুরুষের হার ৮৬ দশমিক ১ শতাংশ। ২৮ দশমিক ০৬ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে পুরুষ ৩৫ দশমিক ১৫ শতাংশ ও নারী ২১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জেন্ডার সমতায় ‘মজুরিবিহীন গৃহস্থালি কাজ’ বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24