বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
বাড়বে গাড়ির দাম

বাড়বে গাড়ির দাম

অনলাইন ডেস্কঃ ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পূরক শুল্ক অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। এতে করে এবার গাড়ির দাম বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ২০০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ২০০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ৩৫০ শতাংশ থেকে ৫০০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বের গাড়ির সম্পূরক শুল্ক আগের মতোই অর্থাৎ ৫০০ শতাংশই রাখা হয়েছে।

দেশে এনে যেসব গাড়ি সংযোজন করা হয় বাড়তে পারে সেসব গাড়ির দামও। এসব সংযোজিত ২০০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ শতাংশ করা হয়েছে। ৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে ৫০ শতাংশ।

আগের ৩০০ শতাংশ থেকে এটি বেড়ে হয়েছে ৩৫০ শতাংশ। ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে এ ধরনের গাড়ির সম্পূরক শুল্কও বাড়ানো হয়েছে ১৫০ শতাংশ। এক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ৩৫০ থেকে ৫০০ শতাংশ করা হয়েছে।

হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্কও বেড়েছে। এর মধ্যে ২০০১ সিসি থেকে ২৫০০ সিসি পর্যন্ত হাইব্রিড গাড়ির শুল্ক ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ করা হয়েছে। ২৫০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ৬০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১০০ শতাংশ। ৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ হয়েছে। ৪০০০ সিসির ঊর্ধ্বের হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ৩০০ থেকে ৩৫০ শতাংশ হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24