শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
কৃষির উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৩৬৯৮ কোটি টাকা

কৃষির উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৩৬৯৮ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্কঃ আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি ক্ষেত্রে সার্বিক উন্নয়নের জন্য ৩৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষি ক্ষেত্রে (কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) সার্বিক উন্নয়নের বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিয়ে আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জন্য ৩৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা প্রস্তাব করছি যা বিগত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ২৪ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা ছিল।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং কৃষি বিপণন ব্যবস্থাসহ সার্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল একপ্রকার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল। এ সময় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বিশ্বে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবাণী প্রদান করেছিল। বাংলাদেশে কৃষিখাতের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে আমাদের সরকার প্রথম থেকেই সতর্ক ছিল। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণপূর্বক ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সত্ত্বেও আমরা দেশে কৃষির উৎপাদনধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, চালের বাজারদর নিয়ন্ত্রণসহ স্বল্প-আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য প্রাপ্তি সহজলভ্য করার লক্ষ্যে আমরা ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সুলভমূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করেছি। চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরেও এ কর্মসূচিতে ৫.৭০ লাখ মেট্রিক টন চাল ও ৪.৮৫ লাখ মেট্রিক টন গমের ফলিত আটা বিতরণ করা হচ্ছে। আমরা ২০২২-২০২৩ অর্থবছরেও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখবো। ৫০ লাখ নিম্নআয়ের পরিবারকে বছরে কর্মাভাবকালীন সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল, অর্থাৎ ৫ মাসব্যাপী ১৫ টাকা কেজি দরে পরিবারপ্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল বিতরণপূর্বক খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় চাল-গমের ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবো। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য আমরা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি ৩১.৪২ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে একই সময়ে খাদ্যশস্য বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩০.৯৫ লাখ মেট্রিক টন। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আমরা আশা করছি, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ২৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা সম্ভব হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24