রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
আসছে বাজেট ২০২২–২৩: প্রতিবন্ধী ও হিজড়া নিয়োগে আরও ছাড়

আসছে বাজেট ২০২২–২৩: প্রতিবন্ধী ও হিজড়া নিয়োগে আরও ছাড়

এদিকে ফেসবুক, গুগলের মতো অনাবাসী প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ হতে পারে। বর্তমানে অনাবাসী প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কোনো স্থাপনা না থাকলে রিটার্ন দাখিল না করার বিধান বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া আয়কর অধ্যাদেশে এমন অনাবাসী প্রতিষ্ঠানের আয়ের আওতা, অব্যাহতি ও ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হচ্ছে। বর্তমানে ফেসবুক, গুগলের মতো অনাবাসী প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দিতে হয়। অন্যদিকে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবসার সার্ভিস চার্জের ওপর উৎসে কর মওকুফ করা হতে পারে। ফলে পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবার ব্যবসা করে, এমন প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়বে।

আগামী বাজেটে স্টার্ট আপ কোম্পানির রিটার্ন দাখিল করা ছাড়া অন্য সব ধরনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করা হতে পারে। তাদের ওপর টার্নওভার করের হার দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ১ শতাংশ করা হতে পারে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়ার জন্য একক হার ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। বর্তমানে ১০ ও ১৫ শতাংশ হারে কর রেয়াত পাওয়া যায়।

কর কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। বকেয়া কর পরিশোধে ব্যর্থ হলে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ অন্যান্য সেবা বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে কর কর্মকর্তাদের।

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের ঋণখেলাপিদের ঋণ মওকুফ করা হলে তাদের করও মওকুফ করা হয়, কিন্তু এবার শর্ত কঠিন করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের ঋণখেলাপিদের ঋণ মওকুফ করা হলেও করমুক্ত থাকবে না। অন্যদিকে কোনো কোম্পানি যদি ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডে অনুদান দেয়, তাহলে তা খরচ হিসেবে অগ্রাহ্য করার ঘোষণা আসতে পারে।

কর কমছে যেখানে

ইস্পাতশিল্পের জন্য সুখবর আসছে। গ্যালভানাইজড আয়রন শিট ও স্টিলজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত এইচআর কয়েল ও জিংক অ্যালয়–জাতীয় কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হচ্ছে। এ ছাড়া স্বর্ণ আমদানিতেও অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ট্রেডিং ব্যবসায় পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর ৭ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ এবং বই সরবরাহে (সরকারি সরবরাহ ছাড়া) উৎসে কর ৭ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ করা হতে পারে। উৎপাদন খাতে কাঁচামাল সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর ৪ শতাংশ করা হতে পারে।

এ ছাড়া বাংলাদেশি সমুদ্রগামী জাহাজ তাদের আয় ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনলে তা ২০৩০ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এটি কমিয়ে দেড় থেকে ২ শতাংশ করা হতে পারে। ফলে জিনিসপত্রের দামে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। দামও কমার সুযোগ আছে। এদিকে আগামী অর্থবছরে রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুড দোকানের ভ্যাট ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হতে পারে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24