বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:০১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ :
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২ রাউন্ডে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলতে মেসিরা আর্জেন্টিনার স্বস্তির দ্বিতীয় গোল এলো অ্যালভারেজের পা থেকে ২-০ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে মেক্সিকো আর্জেন্টিনার প্রথম গোল এনে দিলেন ম্যাক অ্যালিস্টার সৌদি-মেক্সিকো ম্যাচও গোলশূন্য প্রথমার্ধ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনার গোল পেনাল্টিতে ব্যর্থ মেসি, প্রথমার্ধে গোল পেল না আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা-পোল্যান্ড গোলশূন্য প্রথমার্ধ আক্রমণাত্মক আর্জেন্টিনা- মেসির পেনাল্টি মিস, রক্ষণাত্মক পোল্যান্ড রসিক নির্বাচন : আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে যাচ্ছেন ১০ ডিসেম্বরের পর জামিন সেই ঋণগ্রস্ত কৃষকদের, দায়িত্ব নিল বসুন্ধরা আর্জেন্টিনা দলে ৪ পরিবর্তন,শেষ ষোলতে উঠতে আর্জেন্টিনার সামনে যত সমীকরণ মুন্সীগঞ্জে আর্জেন্টিনার আনন্দ মিছিলে ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণ
ফায়ার ফাইটার রনির মরদেহ শেরপুরে আসছে রাতে

ফায়ার ফাইটার রনির মরদেহ শেরপুরে আসছে রাতে

অনলাইন ডেস্কঃ অভাবের তাড়নায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে দেড় বছর আগে ফায়ার সার্ভিসে ফায়ার ফাইটার হিসেবে যোগ দেন শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের বালুঘাটা গ্রামের রমজানুল ইসলাম রনি (২৫)। প্রশিক্ষণ শেষে আট মাস আগে বিয়ে করেন।

শনিবার (৪ জুন) রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে গেঞ্জি পরেই বের হন রনি। অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে তিনিও আগুন নেভানো কাজে যোগ দেন।

রোববার (৫ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত তার মোবাইল ফোন বন্ধ পান পরিবারের লোকজন। পরে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বিকৃত মরদেহের মধ্যে গেঞ্জি দেখে রনিকে শনাক্ত করেন স্ত্রী রূপা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ ফায়ার সার্ভিসকর্মীর একজন রমজানুল ইসলাম রনি। তিনি চরশেরপুর ইউনিয়নের বালুঘাটা গ্রামের দলিল লেখক আকরাম হোসেন আঙুরের দুই ছেলের মধ্যে বড়। তিনি সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার এ অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। বড় সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে শেরপুর জেলা কারাগারেই স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রনির বাবা আকরাম হোসেন আঙুর। মা কামরুন্নাহার রত্না ও চাচা আবুল কাশেম মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ছুটে গেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রনির ছোট ভাই তারিকুল ইসলাম রকিব ময়মনসিংহের একটি কলেজে ডিগ্রিতে পড়াশোনা করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে রনির দাদা ইউনুস আলী (৭০) বলেন, ‘আমার বড় নাতি রনি। তার টাকায় তাদের সংসার চলতো। ছোট নাতিদের পড়াশোনার খরচসহ সবকিছু সে দেখতো। সেই রনিই এখন নেই। আগুনে পুড়ে মারা গেছে। আমার ছেলেটাও মিথ্যা মামলায় জেলে। কীভাবে কী করবো বুঝতে পারছি না।’

রনির চাচি বলেন, ‘বড় পুলাডার কামাই দিয়েই সংসারডা চলতো। বাপটাও মিথ্যা মামলায় জেলে। এহন আমগোর পুলাডা আগুনে পুইড়া মরে গেছে। তার লাশ আনতে গেছে। রাতে আইবো।’ বলেই হাউমাউ করে কান্না শুরু করেন তিনি।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *