বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
ইউপি চেয়ারম্যানকে পেটালেন ছাত্রলীগ সভাপতি

ইউপি চেয়ারম্যানকে পেটালেন ছাত্রলীগ সভাপতি

অনলাইন ডেস্কঃ সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আকতার হামিদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পৌর ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তার সাত সহযোগীর নামে থানায় লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় বেলকুচি পৌর এলাকার জীধুরিস্থ মাজেম মিয়ার মোড়ে ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেলকুচি উপজেলা ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার দিন কাজ শেষে উত্তর বানিয়াগাঁতি গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পের এক লাখ ৭৬ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় তিনি মাজেম মিয়ার মোড়ে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা চালান।

এ সময় তাকে এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে তার কাছে থাকা টাকাগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর তখন তাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে আকতার হামিদ ও তার লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরও গুরুতর আহত হন। পরবর্তীকালে স্থানীয়রা আহত কাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় মাজেম মিয়া মোড়ে পৌঁছামাত্র পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার সহযোগীরা আমার উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালান। তারা আমাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে আমার কাছে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এ সময় আমার পাশে থাকা ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের তালুকদারকেও ব্যাপকভাবে মারপিট করা হয়। সে বর্তমানে আহত অবস্থায় এনায়েতপুর খাঁজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজে এন্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরে আমি বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি এই হামলার সাথে জড়িত নই। বরং ইউপি চেয়ারম্যানকে আমি হামলার হাত থেকে রক্ষা করে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে বসিয়ে রেখেছিলাম।

বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা হামলার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। রাতে থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ এসেছে। তদন্তে সাপেক্ষে অভিযোগের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24