সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সীতাকুণ্ডে আগুন প্রসঙ্গে নৌ-প্রতিমন্ত্রী : মনিটরিং টিমের অবহেলা ছিল, ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়

সীতাকুণ্ডে আগুন প্রসঙ্গে নৌ-প্রতিমন্ত্রী : মনিটরিং টিমের অবহেলা ছিল, ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্কঃ সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনার পেছনে মনিটরিং টিমের অবহেলা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৫ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।  প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না, আমরা কী পদক্ষেপ নেব। আশা করছি আজকের মধ্যেই প্রতিবেদনটি চলে আসবে। তারপর আমরা পদক্ষেপ নেব।

তিনি বলেন, এখানে আলাদা কোনো বিষয় না। এখানে কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য যেসব অংশীজন আছে, আমরা একসঙ্গেই আছি। প্রাথমিকভাবে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হচ্ছে যেহেতু কিছু নীতিমালা, বিধিমালা, আইন-কানুন মেনেই প্রাইভেট কন্টেইনার ডিপো সেটা এখানে আছে, আমি মনে করছি তাদের এখানে অবহেলাটা প্রাথমিকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা এখানে যদি সঠিকভাবে ব্যবস্থা নিত তাহলে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটত না। আইএমডিজি নীতিমালা এবং আইএসপিএস যে কোড আছে, সে অনুযায়ী কন্টেইনার ডিপো পরিচালনা করার কথা। যদি এ দুটি নীতিমালা ও কোড অনুসরণ করে তারা ডিপো পরিচালনা করত তাহলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটত না।

জড়িতদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এটা বলা যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় মামলা হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আসুক, এতগুলো মানুষ মারা গেল, মামলাতো হবেই।

উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮৫ জন।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিটের ১৮৩ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছেন।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24