বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
পদ্মা সেতুতে স্বপ্ন দেখছেন ভাঙ্গার চাষিরা

পদ্মা সেতুতে স্বপ্ন দেখছেন ভাঙ্গার চাষিরা

অনলাইন ডেস্কঃ পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাওয়ায় আনন্দিত ভাঙ্গার চাষীরা। তারা স্বপ্ন দেখছেন রাজধানীর মার্কেটে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির। আগে পদ্মা নদী পার হতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতো। পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক বেশি ছিল। তাই ভাঙ্গা অঞ্চলের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্য ঢাকার বাজারে তেমন বিক্রি করত না। ভাঙ্গা অঞ্চলের প্রধান ফসল পিয়াজ, পিয়াজের বীজ, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, মরিচ। এ পণ্য তারা এখন ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে চায়।

ভাঙ্গার ঘারুয়া গ্রামের এক চাষী গোলাম মোস্তফা বলেন, ভাঙ্গায়  প্রচুর পিয়াজ উৎপাদন হয়। এরমধ্যে ঘারুয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পিয়াজ উৎপাদন হয়। কিন্তু পদ্মা পাড়ি দিতে এতদিন পরিবহন খরচ অনেক হতো। এ কারণে আমরা স্থানীয় বাজারে পিয়াজ বিক্রি করতাম। ঢাকায় পিয়াজ নিতাম না। এখন খুব সহজেই ২৫ জুন থেকে ঢাকা যাওয়া যাবে। পণ্য পরিবহনে আর কোনো ঝামেলা থাকবে না। আমাদের উৎপাদিত পিয়াজ আমরা রাজধানীর বাজারে বিক্রি করতে পারব। পণ্য পরিবহন খরচ অনেক কম হবে। তাই পদ্মা সেতু চালু হওয়ার খবরে আমরা অনেক আনন্দিত।

ভাঙ্গার চৌকিঘাটা গ্রামের রাসেল মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামের চাষিরা পিয়াজের বীজ উৎপাদন করেন। আমরা অনায়াসে পিয়াজের বীজ ঢাকায় বিক্রি করতে পারব। ঢাকা আর এখন আমাদের থেকে দূরে নয়। পদ্মা সেতুর কারণে ঢাকা আমাদের কাছের শহর হয়ে গেছে। আমাদের গ্রামের পিয়াজের বীজ এর অনেক সুনাম রয়েছে। ঢাকার বাজার আমরা দখল করতে পারব।

ভাঙ্গার হামিরদী ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের চাষী কাজী কাউসার বলেন, আমাদের এলাকায় প্রচুর মরিচ উৎপাদন হয়। শুধু যোগাযোগব্যবস্থা খারাপ থাকার কারণে আমরা এতদিন ঢাকার বাজার ধরতে পারিনি। এখন আমাদের এলাকার মরিচ ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে পারব। এতে আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হব।

ভাঙ্গার ডাঙ্গারপার গ্রামের বাসিন্দা মহসিন মিয়া জানান, আমাদের এলাকায় প্রচুর লাউ উৎপাদন হয়। এখন খুব সহজেই আমরা লাউ ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে পারব।

ভাঙ্গার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামের একাধিক চাষী জানান, এই গ্রামে প্রচুর বাঙ্গি ও মিষ্টি কুমড়া আবাদ হয়। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার খবরে এ এলাকার চাষীরা খুবই আনন্দিত। তারা এখন ঢাকার বাজারে বাঙ্গি, মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করতে পারবে।

ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়ান আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ভাঙ্গা উপজেলা একটি কৃষি প্রধান এলাকা। এ এলাকার চাষীরা আগে ঢাকার বাজারে তাদের উৎপাদিত পণ্য তেমন বিক্রি করতো না। পদ্মা পার হতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। পাশাপাশি পণ্য পরিবহন খরচ অনেক বেশি হত। এ সেতুর সুফল ভাঙ্গার চাষীরা ভোগ করতে পারবেন। তারা আশার আলো দেখছেন। ঢাকার বাজারে খুব সহজেই তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে যেতে পারবেন।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24