বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
চা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত: রাষ্ট্রপতি

চা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত: রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্কঃ বর্তমানে  চা বাংলাদেশের একটি  সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন  রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ।  দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যাত্রায় চা শিল্পের অবদান আরো বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ চা শিল্প সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

আগামীকাল শনিবার  (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস-২০২২’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ প্রত্যাশার কথা বলেন। এসময়  দেশে দ্বিতীয়বারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে তিনি চা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।  রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একসময় চা ছিল আমাদের অন্যতম রপ্তানি পণ্য। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে চা রপ্তানি কমে গেলেও সরকার চায়ের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর ফলে ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৯৬.৫১ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। সরকার ২০১৭ সালে চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘উন্নয়নের পথনকশা: বাংলাদেশ চা শিল্প’ অনুমোদন দিয়েছে।

এছাড়া চা শ্রমিকদের মৌলিক চাহিদা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বাসস্থান, শৌচাগার ও নলকূপ স্থাপন, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা, বাগানের নারী শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে বৃহদায়তন চা বাগানের পাশাপাশি সমতলেও চা চাষে বৈকল্পিক উন্নয়ন হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি  বলেন, চা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। সুদীর্ঘ ১৮০ বছর ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে চা শিল্প গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদনের মাধ্যমে দেশে চা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। তিনি ৪ জুন ১৯৫৭ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ পর্যন্ত চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালনকালে চা শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত টি রিসার্চ স্টেশনে ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরি স্থাপনের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত চা বাগান পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও অবকাঠামো উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এ প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের তারিখ ৪ জুন ‘জাতীয় চা দিবস’ পালনের উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। রাষ্ট্রপতি ‘জাতীয় চা দিবস ২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যাত্রায় চা শিল্পের অবদান আরো বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ চা শিল্প সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24