বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের নামে অমানবিক অত্যাচার

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের নামে অমানবিক অত্যাচার

অনলাইন ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। লিখিতভাবে এমন অভিযোগ তুলেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. তারেক।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে র‌্যাগিংয়ের প্রতিকার চেয়ে সংবাদকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের নামে অমানবিক অত্যাচার

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রোকনুজ্জামানের সুপারিশক্রমে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

লিখিত আবেদনে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাতে ক্যাম্পাসের নিকটস্থ সন্তোষ আরিফ নগরে অবস্থিত ছাত্রাবাসে, দ্বিতীয় বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম, আজমাইন, সেলিম, মাহিন ও রাহাত এবং ফার্মাসি বিভাগের সাফি ও আরো অনেকের র‌্যাগিংয়ের শিকার হন তারেক। আবেদনে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও লেখাপড়া চালানো কঠিন হওয়ায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার গভীর রাতে তারেককে টাঙ্গাইলের সন্তোষ আরিফ নগরে অবস্থিত ছাত্রাবাসের সামনে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় জনগণ, পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনা হয়।

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের নামে অমানবিক অত্যাচার

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওপর অমানবিক র‌্যাগিং এবং শারীরিক, মানসিক অত্যাচার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষেধ থাকলেও রাতে তারা বিভিন্ন মেসে ডেকে নিয়ে সারারাত চলে র‌্যাগিং। উল্টা পাল্টা হলে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। আমরা অসহায়, বলার কেউ নাই। এছাড়াও কাকে বলবো জানি না। বললে আরও শাস্তি পেতে হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, সে অভিযোগ করেছে। অভিযোগের আলোকে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করবো। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24