রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ১০:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
মানুষকে হাসিখুশি রাখাটা দায়িত্ব মনে করি: টমেটো’র মিমি

মানুষকে হাসিখুশি রাখাটা দায়িত্ব মনে করি: টমেটো’র মিমি

বিনোদন ডেস্কঃ  ‘অনলাইনে ব্যবসার পরিকল্পনা নিয়ে ফেসবুক পেজ খুলেছিলাম। ভেবেছিলাম অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে অনেকের মতো অনলাইন উদ্যোক্তা হবো। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন ভিডিও কন্টেন্ট নির্মাতা হবো। এতটা দূর আসতে পারবো এটা কখনোই ভাবিনি’- আলাপচারিতায় এমনটিই বলছিলেন মিতানুর রহমান মিমি।

এই নামে হয়তো তাকে খুব কম মানুষই চিনবেন। তবে যখন বলা হবে বিখ্যাত ‘টমেটো’ পেজের জনপ্রিয় আর মজার মজার সব ভিডিওগুলোর কথা তখনই চোখে ভেসে আসবে মিষ্টি সেই মেয়েটির মুখ। তিনিই মিমি। হাসলে গালে টোল পড়ে। তার মুখে লেগে থাকে দুষ্টু মিষ্টি নানা রকম অভিব্যক্তি। মজার সব ভিডিও দিয়ে তিনি জয় করে নিয়েছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা।

ইডেন মহিলা কলেজে অনার্স পড়ুয়া মিমি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়। ফেসবুকে ‘টমেটো’ পেজের মাধ্যমে ভিডিও বানিয়ে পেয়েছেন দর্শকপ্রিয়তা।

মিমি জানান, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ তারিখে ভিডিও বানিয়ে প্রথম আপলোড করি। এরপর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া শুরু করি। প্রথম ভিডিওটিই আশা জাগায়। নতুন আরও একটি ভিডিও বানাতে প্রেরণা পাই। পরের ভিডিওটি প্রকাশ করি ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক বার্তা দিয়ে। দ্বিতীয় ভিডিও দিয়েই মিলিয়ন ভিউয়ের মাইলফলক ছুঁয়ে যায় ‘টমেটো’। আমারও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

বাড়তে থাকে ফলোয়ার, এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে ‘টমেটো’ এখন ২২ লাখ ফলোয়ার সমৃদ্ধ পেজ।

jagonews24

আপনার ভিডিও বানানোর বিষয়টি পরিবার আগে কিভাবে দেখেছে এখন কিভাবে দেখে? জানতে চাইলে মিতানুর রহমান মিমি বলেন, ‘পরিবার আমাকে শুরু থেকেই অনুপ্রাণিত করেছে, সমর্থন করেছে। তারা আরও নতুন নতুন আইডিয়া দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেছে, যেটা এখনও করে। আমি মনে করি পরিবার পাশে না থাকলে কেউই এগোতে পারে না। আমিও পরিবারের জন্যেই এতদূর আসতে পেরেছি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনও বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে এই তরুণী জানান, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে খুবই কম বুঝি। তবে কোনো বিড়ম্বনার শিকার হইনি। বিশেষ করে সবাই আমার কাজ বেশ পছন্দ করে, আমাকে বেশ ভালোবাসে। ভালোবাসে বলেই হয়ত আজ এতদূর আসতে পেরেছি। সেই ভালোবাসার জায়গা থেকে অনেক শুভাকাঙ্খী ফেসবুকে আমার নামে আইডি খুলেছে। তবে আমার অনুরোধ সেই আইডিগুলো যেন কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার না হয়। আমি কোনো বিড়ম্বনার শিকার এখনও হইনি আর হতেও চাই না।’

‘তবে প্রায়ই দেখি আমার মতো যারা ফেসবুকে কন্টেন্ট বানায় তারা অনেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যেটা সাইবার বুলিং হিসেবে পরিচিত। মানুষকে অহেতুক বাজে মন্তব্য না করার অনুরোধ করছি’- যোগ করেন মিমি।

কন্টেন্ট নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি যেহেতু মানুষকে হাসানোর জন্য ফানি বা মজার কন্টেন্ট বানিয়ে থাকি, আর এই কাজটি করে যেতে চাই। মজার মজার ভিডিও বানাতে আমার ভালো লাগে। আমি মূলত ভালো লাগার জায়গা থেকেই এই কাজটি করি। আমি মনে করি মানুষকে হাসিখুশি রাখাটা আমার দায়িত্ব, আমার কন্টেন্টের মাধ্যমে মানুষকে হাসিখুশি রাখতে চাই আগামী দিনেও।’

ভবিষ্যতে নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে এখনো কিছু ভাবেননি মিমি। আপাতত ‘টমেটো’ ও পড়াশোনা নিয়েই মেতে থাকতে চান তিনি। মিমির জন্য শুভেচ্ছা।

এজেড এন বিডি ২৪/ ডন 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24