সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
যমুনায় জেলের জালে ৪৭ কেজির বাঘাইড়! রমেক হাসপাতালে অনিয়মের প্রতিবাদে গোলটেবিল বৈঠক মা-বাবা-বোনকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে মেহজাবিন রমেকে ৪ হাত-পা বিশিষ্ট নবজাতক, ঋণের বোঝা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিন মজুর পিতা যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের তোপের মুখে ফখরুল ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের মৃত্যু, সাত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ডাস্টবিনে মিলল সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো মূল্যবান চিত্রকর্ম নির্ধারিত স্থান ছাড়া সিটি করপোরেশন-পৌরসভার টোল আদায় নয় বৈচিত্র্যময় টাঙ্গুয়ার হাওরে রোমাঞ্চকর একদিন সিলেট ভ্রমণে যা কিছু দেখবেন তৃতীয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ‘ঘোর’ বাবার প্রতি সন্তানের করণীয়; ইসলাম কী বলে? অবশেষে মুখে হাসি ফুটল চিরদুঃখী সুফিয়ার ভারতে সন্তান জন্মদানের পরেই নেয়া যাবে ভ্যাকসিন গোলের সেঞ্চুরি করে নতুন মাইলফলকে সাবিনা
স্তন্যদায়ী মায়েরা অবশ্যই এড়িয়ে চলুন এসব খাবার

স্তন্যদায়ী মায়েরা অবশ্যই এড়িয়ে চলুন এসব খাবার

স্বাস্থ্য ডেস্ক : শিশু জন্মানোর পর তার একমাত্র খাবার মায়ের দুধ। প্রাথমিক অবস্থায় তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পুষ্টির যোগানের একমাত্র উপায় এই খাবার। ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের দুধই শিশুর খাবার। এরপর পাশাপাশি আরো অনেক বাড়তি খাবার দেয়া হয়।

এজন্য মায়েদেরও খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত। কেননা একজন মা কী খাচ্ছেন, কী খাচ্ছেন না তার উপর শিশুর পুষ্টি নির্ভর করে। তাই শিশুকে স্তন্যপান করালে অবশ্যই মায়েদের বেশ কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা উচিত। অস্বাস্থ্যকর খাবার বা ভালো খাবার না খেলে সন্তানের দুধের ঘাটতি হতে পারে বা শিশুর অম্বল, গ্যাস, পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মায়ের পুষ্টির দিকে যেমন নজর দিতে হয়, তেমনি বাচ্চা এবং মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে এই সময় বেশ কিছু খাবারও এড়িয়ে চলা উচিত সমস্ত মায়েদের।

তাই যে মায়েরা স্তন্যদান করছেন তাদের কিছু খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। এতে করে সন্তান এবং মা উভয়ই নানান ধরনের রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকবেন। যেমন- বাঁধাকপি, বিনস, রসুন, পেঁয়াজ, ডিম, বাদাম অত্যাদি। এছাড়া আরো কিছু খাবার রয়েছে। যেগুলো একেবারেই খাওয়া যাবে না নতুন মায়েদের। স্তন্যদায়ী মায়েরা যত কম খাবেন ততই ভালো। চলুন দেখে নেয়া যাক সেসব-

অতিরিক্ত ঝাল- মশালাদার খাবার 
গর্ভাবস্থায় সব হবু মাকেই বেশি তেল-ঝাল মশলা দেয়া খাবার খেতে নিষেধ করা হয়। স্পাইসি খাবার খেলে গর্ভস্থ শিশুর সমস্যা হতে পারে। বাচ্চা হওয়ার পর অনেক মা-ই ভাবেন এবার মশালাদার খাবার খাবেন। যা একদম করা উচিত নয়। কারণ মা যা খাবেন বুকের দুধের মধ্যে দিয়ে সেটা বাচ্চার শরীরে যাবে। এর ফলে একাধিক সমস্যা দেখা দেবে ছোট্ট শিশুর।

সি ফুড 
সি ফুডে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা বাচ্চার নার্ভ সিস্টেমকে উন্নত করে। তবে এখন সি ফুডে মারকিউরির পরিমাণ বেশি থাকায় চিকিৎসকরা সি ফুড এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার
ছোট্ট বাচ্চাকে নিয়ে নতুন মায়েদের দিন কেটে যায়। এই সময় রান্না করা বা ঘরের অন্য কাজ করার সময়ই পান না তারা। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে ঝোঁকেন নতুন মায়েরা। বিশেষ করে যারা বাচ্চাকে স্তন্যপান করান, তাদের প্রসেসড ফুড থেকে দূরে থাকা উচিত। যেকোনো ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার, মায়ের বুকের দুধের মধ্যে দিয়ে বাচ্চার শরীরে যাবে, যা ছোট্ট শরীরে বিষের কাজ করবে। মা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে বাচ্চার অ্যালার্জিও হতে পারে।

অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার
মিষ্টির প্রতি কমবেশি সবার দুর্বলতা থাকে। কিন্তু স্তন্যপান করান যেসব মায়েরা, তাদের মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

চা-কফি থেকে দূরে থাকুন 
মা বেশি চা-কফি খেলে বাচ্চার ঘুমের সমস্যা হবে। শিশু উত্তেজিত হয়ে পড়বে। যার ফলে সে ঘুমোতে চাইবে না। দিনে দুই-তিন কাপ চা বা কফি খেতে পারেন একজন মা, কিন্তু তার বেশি হলে বাচ্চার জন্য বিপদ।

মাংস 
যেসব মাংসে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকা সেসব থেকে দূরে থাকাই ভালো। ফ্যাট বেশি থাকলে সেটা শরীর থেকে টক্সিন শোষণ করে নেবে। সেইসঙ্গে মায়ের ওজনও বাড়িয়ে দেবে।

অ্যাসিডিক খাবার 
ভিটামিন সি অনেক শিশুর শরীরে কুপ্রভাব ফেলে! তাই কমলালেবু, লেবু, টমেটোর মতো জিনিস যাতে ভিটামিন-সি বেশি পরিমাণে থাকে, সেইসব থেকে মায়েদের দূরে থাকা দরকার। আপনার শিশু যদি বুকের দুধ খায় তাহলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা হতে পারে। ভিটামিন-সি আছে এমন খাবার খেলে বাচ্চার স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখুন। বাচ্চার যদি কোনওরকম সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সেই ফল বা সবজি খাওয়া বন্ধ করে দিন।

যা খাবেন-
ফলমূল, শাক-সবজি বেশি করে খাওয়া উচিত। খেয়াল রাখতে হবে মায়েদের ডায়েটে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেন বেশি পরিমাণে থাকে।

যেভাবে বুঝবেন বাচ্চার সমস্যা হচ্ছে- 
বাচ্চার পেট ফাঁপা, নাক থেকে জল পড়া, মুখ থেকে লালা পড়া, র‌্যাশ বের হওয়া, ইত্যাদি সমস্যা হলে বুঝবেন বাচ্চার সমস্যা হচ্ছে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রাকিব 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT