রবিবার, ০৩ Jul ২০২২, ০২:৩১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
ফেরিতে ভয়ঙ্কর জার্নি, অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭ ফ্ল্যাট না পেয়ে স্বামীকে ইয়াবায় ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো ফাঁসলেন স্ত্রী ‘বাড়ির কারোর মুখে তেমন খুশির ছিটেফোঁটাও দেখতে পাইনি’ বিচারপতি নিজেই চাইলেন বিচার গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সময়োপযোগী ও সাহসী : টিক্যাব গুগল অ্যাপলের অ্যাপস্টোর থেকে টিকটক সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ নদীতে পড়ে যাওয়া আইফোন ১০ মাস পরও সচল! গ্রেভি বিফ চিলি তৈরির রেসিপি মাহির বডি ফিটনেস নেই, বয়স হয়েছে: আজিজ শাকিবের ৪ কোটি টাকার সিনেমায় নায়িকা পূজা ময়মনসিংহের তুফানের দাম ১৭ লাখ টাকা শিক্ষক উৎপল হত্যা : সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় খুলছে স্কুল ছুটির দিনে পদ্মা সেতুতে চলছে ছবি-সেলফি উৎসব
সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্কঃ  টানা চারদিনেরও বেশি সময় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কেবিনে নেয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয় বলে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ ডেজ এম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডামকে কিছুক্ষণ আগেই কেবিনে নেয়া হয়ছে। আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। সেগুলোর বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত শুক্রবার (১০ জুন) দিনগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাত ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজা থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পর শনিবার দুপুরে জরুরিভিত্তিতে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এতে তার হার্টে বেশ কয়েকটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটি ব্লক ছিল ৯৫ শতাংশ। সেটিতে রিং পরানো হয়।

‘বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিতে হবে’- এ দুই শর্তে অন্তর্বর্তীকালীন মুক্তিতে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর’-এর ধারা-৪০১ (১)-এর ক্ষমতাবলে সরকারের নির্বাহী আদেশে প্রথমবারের মতো শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন মুক্তি পান খালেদা জিয়া। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। এরপর দফায় দফায় বাড়ে তার মুক্তির মেয়াদ। সবশেষ গত মার্চ মাসে শর্ত অপরিবর্তিত রেখে আরও এক দফা তার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনে সায় দেয় সরকার।

৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়া গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে গুলশানে তার বাসা ‘ফিরোজায়’ রয়েছেন। তিনি আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ৮১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি গুলশানে নিজের বাসভবন ফিরোজায় ফিরেন খালেদা জিয়া।

এর আগে গত বছরের এপ্রিলে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হলে সে দফায় একই হাসপাতালে ৫৪ দিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিনি। ওই বছরের ১৩ নভেম্বর আবারও এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়।

ওই বছরের ৩০ অক্টোবর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার সাত বছরের সাজা হয়।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x