শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ত্রিপুরার নীল রানাউত ধর্ষণের দায়ে ৭ পুরুষকে হত্যা করেন যে নারী! কাঞ্চন বলছে মাসে সাড়ে ৩ লাখ টাকা চেয়েছি, প্রমাণ কী : পিঙ্কি ওসি প্রদীপের সহযোগী কনস্টেবল সাগরের আত্মসমর্পণ এবার ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে কঙ্গনা, পরিচালনাও করবেন তিনি ব্রাজিলের সেই গোল নিয়ে বিতর্ক থামছেই না, দেখুন ভিডিও জর্ডান-ইরানের গ্রুপে সাবিনা-মৌসুমিরা জেলের জালে ধরা পড়লো শুশুক, কিনে জরিমানা গুনলেন দুজন তেত্রিশ বসন্ত পেরিয়ে চৌত্রিশে মেসি নির্মাণ হচ্ছে আটটি আধুনিক সাইলো জীবিকার চাকা সচল রাখতে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার শনিবার থেকে পিরোজপুরের ৪ পৌর এলাকায় লকডাউন সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন করোনায় ভুগে হতাশা-যন্ত্রণায় আত্মহত্যা জেনারেল র‍্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন সেনাপ্রধানকে
দিনমজুরি করে মানবেতর জীবন মুক্তিযোদ্ধা খালেকের

দিনমজুরি করে মানবেতর জীবন মুক্তিযোদ্ধা খালেকের

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলপুরে দিনমজুরি করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক। আজও মেলেনি তার মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি। জানা যায়, ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন করিম কোম্পানীর ১১নং সেক্টরে ডালো ইয়থ ক্যাম্পে সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের অধীনে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করেছেন উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের মাটিচাপুর (কুশকান্দা) গ্রামের আব্দুল খালেক।  এরপর ২০০৫ সনের ১১ আগস্ট বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দেশরক্ষা বিভাগ আব্দুল খালেককে স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র প্রদান করে। তারপর ২০১৪ সনের ১৮ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক তাকে সাময়িক সনদপত্র প্রদান করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আজও আব্দুল খালেকের মেলেনি মুক্তিযুদ্ধের সনদ।

এ বিষয়ে আব্দুল খালেকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ২৪ মার্চ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এর সহকারি পরিচালক (অর্থ-১) কর্তৃক স্বাক্ষরিত নং ৪৮-০২-০০০০- ০০২-০০- ০৩৯- ১৭/৩৯২ স্মারকে আমাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠির মাধ্যমে দালিলিক প্রমাণাদিসহ স্বশরীরে ১৩ এপ্রিল জামুকায় আমাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল। এরপর ওই তারিখ আসার আগেই ৩১ মার্চ জামুকার ওই একই অফিসার আবার আরেকটি চিঠিতে আমাকে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি স্থগিত করে দেন। আমি ভারতের ডালো ইয়থ ক্যাম্পে অধ্যক্ষ মতিউর রহমান স্যারের অধীনে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করেছি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আজও আমার ভাগ্যে জুটেনি মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি।

বর্তমানে আমি স্ত্রী, ৪ মেয়ে, ২ ছেলে ও নাতিনাতনিসহ ১২ সদস্যের পরিবার নিয়ে দিনমজুরি করে মানবেতর জীবন যাপন করছি। সরকারের নিকট আমার দাবি, জরুরিভিত্তিতে যাতে আমাকে মুক্তিযুদ্ধের তালিকাভুক্ত করে  আমার নামে ভাতাদি চালু করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, উনার যদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দলিলাদি থাকে তাহলে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT