সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের বাধ্যবাধকতা তুলে নিল সৌদি নুসরাতের মামলা: অসংলগ্ন অনুমান আর কল্পনা মানুষের জীবনের থেকেও কি ধর্ম বড়, প্রশ্ন শ্রীলেখার স্ত্রীকে রেখে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক হাতির পিঠে চড়ে মনোনয়ন জমা সনাতন ধর্মাবলম্বীর সৎকারে এগিয়ে এলো মুসলিমরা আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম বগুড়ার অপু বিশ্বাস যেভাবে সিনেমার নায়িকা হলেন শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল স্কটল্যান্ড মালিঙ্গাকে পেছনে ফেলে বিশ্ব রেকর্ড সাকিবের কাপাসিয়ায় ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ৫০ জন লক্ষ্মীপুরে ৪ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ২৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল বাংলাদেশের দাপুটে বোলিংয়ে কোণঠাসা স্কটল্যান্ড
রোহিঙ্গা তরুণীরা ক্যাম্প ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে যৌন পেশায়

রোহিঙ্গা তরুণীরা ক্যাম্প ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে যৌন পেশায়

অনলাইন ডেস্কঃ রোহিঙ্গা তরুণীরা ক্যাম্প ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে যৌন পেশায়। অতিরিক্ত টাকার লোভে কক্সবাজারসহ সারা দেশে দালালদের হাত ধরে রোহিঙ্গা যৌনকর্মীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়ছে নারী- শিশু পাচারও।

রোহিঙ্গা নারীদের মধ্যে যৌন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার হার অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ক্রমশ বাড়ছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে দেশীয় ও রোহিঙ্গা দালাল চক্র। রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সারাদেশে সক্রিয় এ চক্রটি। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দেশীয় ও রোহিঙ্গা দালাল সিন্ডিকেট নারী-শিশু পাচারের পাশাপাশি যৌন পেশায় ঠেলে দিচ্ছে অধিকাংশ যুবতী নারীদের।

গত জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৫৪ জন রোহিঙ্গা নারী পাচারের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক হয়। মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিক বানিয়ে বিদেশে পাচার করে যৌন কর্মী হিসেবে ব্যবহার করা হয় এ সব রোহিঙ্গা নারীদের।

গত ১৪ মে কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয় ১৭ জন তরুণীকে। উদ্ধারের পর তাদের ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। কক্সবাজার ছাড়াও দেশের অন্যান্য এলাকা থেকেও রোহিঙ্গা নারী পুরুষ ও শিশুদের উদ্ধার করা হচ্ছে।

গত ২০ জুলাই ঢাকা থেকে দুই রোহিঙ্গা নারীকে উদ্ধার করে র‍্যাব। এ সময় দালাল চক্রের সদস্যদেরও আটক করা হয়। বাংলাদেশি পাসপোর্টের মাধ্যমে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল দালালরা। এর আগে সিলেট থেকে ১৪ জন রোহিঙ্গা নারী শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ।

কক্সবাজারে যৌন কর্মীদের নিয়ে কাজ করে নোঙর নামের একটি এনজিও। রোহিঙ্গা নারীদের যৌন পেশায় জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তারা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে।

নোঙরের নির্বাহী পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ বলেন, স্থানীয় দালাল চক্র ছাড়াও আগে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকে তরুণীদের নানা উপায়ে  যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করে। হতদরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে এ কাজে উদ্বুদ্ধ করছে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় দালাল চক্র।

নোঙরের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, চাকরির নামে বিদেশে যাদের পাচার করা হয় মূলতঃ তাদের যৌন পেশায় জড়িয়ে পড়ার পরিবেশ তৈরি করে পতিতা বানানো হয়। যেভাবে উদ্ধারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তাতেই প্রমাণ হয় নারী শিশু পাচার ও যৌন ব্যবসায় নিয়োজিত কি পরিমাণ রোহিঙ্গা তরুণী এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। বিয়ের প্রলোভনে পড়ে, অর্থ লোভে, নেশাগ্রস্ত হয়ে অনেক রোহিঙ্গা পুরুষ ও নারী দালালের খপ্পরে পড়ে যৌন পেশাকে বেঁচে নিয়েছে। ঠিকানা পাল্টিয়ে অনেক রোহিঙ্গা তরুণী কক্সবাজার, চট্রগ্রাম শহর ছাড়াও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে রোহিঙ্গা যৌনকর্মী ভাড়া বাসায় বসবাস করে  বিভিন্ন হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস, রেস্ট হাউসে উঠে দালালের মাধ্যমে ভাড়া খাটছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

তবে কতজন রোহিঙ্গা নারী যৌন কর্মী হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে এর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া না  গেলেও বেসরকারি একাধিক সংস্থার মতে এ সংখ্যা ২৫-৩০ হাজার হতে পারে বলে জানা গেছে।

শুধু তাই নয়, বিভিন্ন এনজিও সংস্থার তথ্যমতে ৩৪ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প মোটেও সুরক্ষিত না, যে কারণে ক্যাম্পের ঝুপড়ি ঘরগুলো যৌন ব্যবসার অন্যতম নেটওয়ার্ক বলে মনে করেন স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ও জনপ্রতিনিধিরা।

কক্সবাজারের এসপি হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা তরুণীরা যৌন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে এটা সত্য। কারণ বিভিন্ন সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ রোহিঙ্গা তরুণীদের আটক করে। জেলা ডিবি পুলিশ শহরের কলাতলী, লালদিঘি পাড়সহ চিহ্নিত কতগুলো হোটেলে শত শত যৌনকর্মীকে প্রায় সময় আটক করে। এর মধ্যে ৭০ ভাগ হচ্ছে রোহিঙ্গা তরুণী। দলে দলে ক্যাম্প ছাড়ছে রোহিঙ্গা নারী পুরুষ ও শিশুরা। তবে কি কারণে এত বিপুল সংখ্যক লোক ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছে এর সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

অনেকের ধারণা বাংলাদেশের জনস্রোতে মিশে গিয়ে জন্ম সনদ সংগ্রহ এবং কোনো মতে ভোটার আইডি কার্ড করা গেলে এ জীবনে আর মায়ানমারে যেতে হবে না। তাই এত দৌড় ঝাপ রোহিঙ্গা নারী পুরুষ ও শিশুদের। বিনিময়ে নারীরা পাচার হোক বা বেশ্যা হোক কিছুই আসে যায় না।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x