বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:০৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে গেল পাকিস্তান খাগড়াছড়িতে জাতীয় পতাকা প্রদক্ষিণ শোভাযাত্রা যশোরে আনসার-ভিডিপি’র পতাকা র‌্যালি মাদারীপুরে আনসার ও ভিডিপির পতাকা র‍্যালি মানিকগঞ্জে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পতাকা র‌্যালি কক্সবাজারে যাত্রা শুরু হলো দেশের প্রথম উড়ন্ত রেস্টুরেন্টের টপ চারের একি হাল! লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকায় পুলিশ সদস্যকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা সমুদ্রে ডাকাতি, উপকূলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মুক্তিপণ আদায় তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকীতে নেই কোনো সরকারি কর্মসূচি জাহাঙ্গীর আলম কি আওয়ামী লীগে একজনই? বাংলাদেশের পঞ্চাশে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের প্রাসঙ্গিকতা পথশিশুদের নিয়ে এম এ রশিদের গান ডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাস ‘উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও জনতা’র নামে পুলিশের মামলা, আসামি ৮০০
মামলা থেকে অব্যাহতি চায় টেলিকম ও কৃষি ব্যবসায়ীরা

মামলা থেকে অব্যাহতি চায় টেলিকম ও কৃষি ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর এলাকার টেলিকম ও কৃষি ব্যবসায়ীদের নামে ড্রেজার সংক্রান্ত মামলায় মিথ্যা আসামি করার অভিযোগ উঠেছে । ওই মামলা থেকে তদন্ত সাপেক্ষে অব্যাহতির জন্য ব্যবসায়ীরা মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভজনপুর এলাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করে আসছে। পঞ্চগড় জেলা পুলিশ এবং তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ বোমা মেশিন বন্ধের জন্য নিয়মিত অভিযান চালায়। এবং মাঝে মাঝে বোমা মেশিন ব্যবসায়ীদের নামে মামলা করে থাকে। গত ১৫ মে গোলাব্দি গজ গ্রামে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলনের সময় পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় কয়েকটি মেশিন জব্দ করে। পরে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় পুলিশ সদস্যরা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। ঐ মামলায় ভজনপুর এলাকার তিনজন টেলিকম ও কৃষি ব্যবসায়ীকে মামলায় আসামি করা হয়। তারা হলেন গোলাব্দিগজ গ্রামের এরসাদুল হকের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, একই এলাকার মৃত করিমউদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল ও ধানসুকা গ্রামের সাইজ উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন।

লিখিত অব্যাহতি আবেদনে তারা বলেন, আমরা টেলিকম এবং কৃষি ব্যবসার সাথে জড়িত। আমরা কখনোই বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করি না। আমাদেরকে কেন বোমা মেশিনের মামলা দেয়া হলো জানি না। মামলার আসামি হয়ে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি । আমরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। কৃষক আব্দুল জলিল জানান, কৃষি কাজ করি। আর টুকটাক ধান চালের ব্যবসা করি। আমাকে মামলায় আসামি করার ফলে এখন পরিবার অচল হয়ে পড়েছে। আমরা বিনা তদন্তে অব্যাহতি চাই না। আমরা জেলা প্রশাসকের নিরপক্ষে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা থেকে অব্যাহতি চাই। তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, মামলাটির তদন্ত চলছে । তারা যদি বোমা মেশিন দিয়ে অবৈধ পাথর উত্তোলন ব্যবসায় জড়িত না থাকে তবে চার্জশিটে তাদের নাম দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, অব্যাহতির আবেদন পেয়েছি । তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x