মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
পানির সঙ্গে এসিড মিশিয়ে স্বামীকে হত্যা নোয়াখালীতে জাল ভোট দিতে গিয়ে দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ধরা ‘আমাকে আর ইভা রহমান ডাকবেন না’ আবার বিয়ে করলেন ইভা রহমান, মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ ব্যবসায়ী সোহেল আরমানের ঘরে ইভা রহমান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব এক হাত নিয়েই জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাইফুল সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিল যুবক নরসিংদী সদর ইউএনও’র ফোন নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো শিশু স্বচ্ছ থাকলে সাংবাদিক নেতাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: তথ্যমন্ত্রী শীতলা বাড়িতে এবার অজান্তা প্রতিমায় দুর্গাপূজা দুর্গাপূজায় ৩ কোটি টাকা অনুদান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণেই মহামারিতে রূপ নিতে পারেনি করোনা: নৌপ্রতিমন্ত্রী
মদের দোকানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ভিড়, রুখবে কে?

মদের দোকানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ভিড়, রুখবে কে?

অনলাইন ডেস্কঃ বগুড়ায় সরকার অনুমোদিত দেশি-বিদেশি মদের দোকান ও বারগুলোতে চলছে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। সরকারি লাইসেন্সধারীদের কাছে মদ বিক্রি করার কথা থাকলেও এগুলো মদ বিক্রি করা হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছে। ফলে রাস্তাঘাটে মাদকসেবীদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। সন্তানরা হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত, অবাধ্য হচ্ছেন বাবা-মা’র।

বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় সরকার অনুমোদিত পর্যটন মোটেল বার রয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশি মদ বিক্রি করা হয়। লাইসেন্সধারীদের কাছে এসব মদ বিক্রি করার কথা থাকলেও অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে কিশোর, যুবক থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষদের কাছে। এই বারে বসে মদপান করে লাইসেন্সবিহীন মাদকসেবীরা। মদ সহজলভ্য হওয়ায় অনেকেই হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত।

কথা হয় এই বারের ম্যানেজার ওবায়দুল হক পাঠানের সঙ্গে। তিনি সব বয়সীদের কাছে মদ বিক্রি করার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। তিনি বলেন, অনেকে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থী হয়েও নিজেকে চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে মদ নিতে আসেন। আমরা তাদের কাছে মদ বিক্রি করি। তবে বারে স্কুলব্যাগ বা স্কুল পোশাক পড়ে প্রবেশ নিষেধ।

মদপানের লাইসেন্স না দেখে সবার কাছে কেন মদ বিক্রি করছেন জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান বারের ম্যানেজার ওবায়দুল হক পাঠান।

শহরের সাতমাথা এলাকায় বৈধ মদের দোকান ‘ফরেন লিকার’। এখানে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ মদ কিনতে আসেন। এখানকার ম্যানেজার প্রদীপ কুমার মদক। তিনি বলেন, আমরা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে মদ বিক্রি করি না। শুধুমাত্র লাইসেন্সেধারীদের কাছে মদ বিক্রি করা হয়। তবে রাজনৈতিক চাপে অনেক সময় সাধারণ মানুষদের কাছেও মদ বিক্রি করতে হয়।

এদিকে, ফরেন লিকার থেকে মদ কেনা অন্তত ২০ জনের সঙ্গে কথা হয়। তাদের কেউ লাইসেন্সধারী মদপানকারী নন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, মদ বিক্রির সময় লাইসেন্স দেখার সময়ই নেই ফরেন লিকারের মদ বিক্রেতার। টাকা দিলেই মদ দেয় তারা। তাদের কাছে বয়স আর মদপানের লাইসেন্স কোনো বিষয়ই না।

এছাড়াও বগুড়ায় বৈধ বার রয়েছে হোটেল মমইনে ও হোটেল নাজগার্ডেনে। এই দুই জায়গাতেও লাইসেন্সধারী ছাড়াও সাধারণ মানুষদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করা হয়। এমনকি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও যুবকরা এগুলো বারে বসে মদপান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বগুড়ায় বৈধ বার রয়েছে এমন এলাকার ও এর আশপাশের বাসিন্দারা বলেন, মদ সহজলভ্য হওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ সব বয়সের মানুষই মদপান করছেন। এতে করে অনেকেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। কিশোর ও তরুণরা মদপান করে মহাসড়ক ও স্থানীয়র সড়কে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালায়। এতে সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা। এছাড়াও রাস্তাঘাটে মদপানকারীদের মাতলামি অনেক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্তানরা হাতের নাগালেই মদ পাচ্ছে। তারা মাদকাসক্ত হয়ে বাবা-মায়ের অবাধ্য হচ্ছে।

তারা বলেন, বার ও মদের দোকানগুলো মদপানের লাইসেন্সধারী ছাড়াও সবার কাছে মদ বিক্রি করে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা আরো বেড়ে যাবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে বগুড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মেহেদী হাসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, আমরা বিষয়টা দেখছি। যারা মদপান করে রাস্তায় মাতলামি করেন, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। এছাড়া এসব বারের আশেপাশেও আমাদের পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন। মদপান করে কেউ ঘোরাফেরা করলেই তাদের আটক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।

তিনি বলেন, মদ বিক্রি করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না আমরা। তবে বারের মধ্যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সেই বিষয়টা আমরা দেখি।

এজেড এন বিডি ২৪/ ডন

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x