বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
বিএনপিতে ভালো নেই মির্জা ফখরুল খুলনায় চৌ‌কিদার জলিল হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন ইভা রহমান হাতিরঝিলে নতুন ‘সংসার’ শুরু করলেন অপু বিশ্বাস, বললেন-সবাই দোয়া করবেন দেশে ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি করোনার টিকা প্রয়োগ রোহিঙ্গাদের ১৮ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের আরো ৫০ লাখ টিকা আত্মহত্যা করতে দুই ভবনের মাঝেই কেন লাফ দিলেন ইভানা? রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে নতুন চাঞ্চল্য উৎকট গন্ধে প্রতিবেশীরা ডাকলো পুলিশ, মিলল তরুণীর বীভৎস পচাগলা লাশ ‘অতি জরুরি’ ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর ধনেপাতার রয়েছে যেসব আশ্চর্য স্বাস্থ্য উপকারিতা ‘আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা’ দেখতে বাবার মতো কিন্তু চিন্তাটা মায়ের মতো বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ২৩ কোটি ছাড়িয়েছে রামেকে ২৪ ঘণ্টায় আটজনের প্রাণহানি
ভাড়া না পেয়ে দুই শিশুকে মেঘনা নদীতে ফেলে দিলেন লঞ্চ কর্মীরা

ভাড়া না পেয়ে দুই শিশুকে মেঘনা নদীতে ফেলে দিলেন লঞ্চ কর্মীরা

অনলাইন ডেস্কঃ ভাড়া না থাকায় দুই শিশুকে লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। ভাসতে থাকা দুই শিশুকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদী থেকে তাদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গজারিয়া থানার ওসি মো. রইছ উদ্দিন। দুই শিশু হলো- ১৩ বছর বয়সী মেহেদুল হাসান ও ১২ বছরের সাকিব হাসান।

ওসি জানান, দুই শিশু সদরঘাট এলাকায় থাকে। তারা লঞ্চে পানি বিক্রি করে। শনিবার সকালেও রাজধানীর সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী ইমাম হাসান-৫ লঞ্চে পানি বিক্রি করছিল শিশু দুটি। এ সময় ভাড়া চেয়ে না পাওয়ায় তাদের মাঝ নদীতে ফেলে দেন লঞ্চ কর্মচারীরা।

মো. রইছ উদ্দিন বলেন, আমরা দুজনকেই নিরাপদে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাটে নিয়ে যাই। সেখানে তাদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলে ঢাকা-সদরঘাটগামী এমভি আল-বোরাক লঞ্চে উঠিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। ভিডিওতে দেখা যায়, গজারিয়া থানার ওসি দুই শিশুকে প্রশ্ন করছেন। জবাবে শিশুরা জানায়, ইমাম হাসান-৫ এর লঞ্চের স্টাফরা তাদের নদীতে ফেলে দিয়েছেন। তারা টাকা না দিয়ে ছাদে ওঠ্য় ফেলে দেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইমাম হাসান-৫ লঞ্চের মাস্টার মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, দুই শিশু নিজেদের ইচ্ছায় নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। যাত্রীরা আমাদের জানিয়েছেন। তাদের ফেলে দেওয়া হয়নি। সব যাত্রীরা দেখেছেন। আমরা ফেলে দিলে যাত্রীরা আমাদের বাধ্য করে লঞ্চ থামিয়ে দিতে পারতেন। এছাড়া এসব পানি বিক্রেতার কাছ থেকে ভাড়া নেয়া হয় না।

এজেড এন বিডি ২৪/ তমা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x