শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ত্রিপুরার নীল রানাউত ধর্ষণের দায়ে ৭ পুরুষকে হত্যা করেন যে নারী! কাঞ্চন বলছে মাসে সাড়ে ৩ লাখ টাকা চেয়েছি, প্রমাণ কী : পিঙ্কি ওসি প্রদীপের সহযোগী কনস্টেবল সাগরের আত্মসমর্পণ এবার ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে কঙ্গনা, পরিচালনাও করবেন তিনি ব্রাজিলের সেই গোল নিয়ে বিতর্ক থামছেই না, দেখুন ভিডিও জর্ডান-ইরানের গ্রুপে সাবিনা-মৌসুমিরা জেলের জালে ধরা পড়লো শুশুক, কিনে জরিমানা গুনলেন দুজন তেত্রিশ বসন্ত পেরিয়ে চৌত্রিশে মেসি নির্মাণ হচ্ছে আটটি আধুনিক সাইলো জীবিকার চাকা সচল রাখতে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার শনিবার থেকে পিরোজপুরের ৪ পৌর এলাকায় লকডাউন সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন করোনায় ভুগে হতাশা-যন্ত্রণায় আত্মহত্যা জেনারেল র‍্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন সেনাপ্রধানকে
গোপনে শুটিং সেটে এক রুমে থাকতেন সোহেল-দিতি

গোপনে শুটিং সেটে এক রুমে থাকতেন সোহেল-দিতি

বিনোদন ডেস্কঃ নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি সোহেল চৌধুরী এবং দিতি। পর্দার প্রেমের মতো বাস্তবেও দু’জন পরস্পর প্রেমে মজেছিলেন এবং বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু ক্যারিয়ারের কথা ভেবে অনেকদিন গোপন রেখেছিলেন নিজেদের সম্পর্কের কথা। এমনকি বিয়ের খবরও চেপে গিয়েছিলেন বেমালুম।

দিতি-সোহেল চৌধুরী বিয়ের পরও শুটিং সেটে গিয়ে গোপনে একই রুমে থাকতেন তারা। ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ ছাড়া বিষয়টি কেউ জানতো না। কিন্তু হঠাৎ একদিন বিষয়টি ধরা পড়ে যায় চিত্রসাংবাদিক ইমরুল শাহেদের কাছে। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন প্রবীণ এই সাংবাদিক।

তিনি বলেন, ‘‘আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘হীরামতি’ ছবির সেটে গিয়েছিলাম। লোকেশন ছিল সিলেট। গিয়ে দেখি শুটিং ইউনিট দুই ভাগে রাখা। একটি অংশ জৈন্তা বাজারে, আরেকটি অংশ তামাবিল যাওয়ার পথে টিলার উপর নলজুরি ডাকবাংলোতে। আমরা কয়েকজন ছিলাম ডাকবাংলোতে। কিন্তু শোয়ার উপযোগী একটি খাট ছিল একটি ঘরে। অন্য ঘরে ফ্লোরিং করে থাকতেন আমজাদ হোসেন, চিত্রগ্রাহক বেবী ইসলাম এবং তার সহকারী বরুণ শঙ্কর।’’

ইমরুল শাহেদ জানান, তিনি থাকতেন সামনের বারান্দায়। কারণ অনেক রাত জেগে তিনি লিখতেন। যে কারণে গভীর রাত পর্যন্ত লাইট জ্বলত যাতে করে অন্যের ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে।

রাতে তার হঠাৎ মনে হলো ‘হীরামতি’র নায়ক-নায়িকা সোহেল চৌধুরী ও দিতি তাহলে কোথায় আছেন? প্রশ্নটি আমজাদ হোসেনকে করতেই তিনি ইমরুল শাহেদকে বলেন, যেখানেই থাকুক কাল সকালে শুটিং স্পটে তোমার সঙ্গে দেখা হবে। এখন গিয়ে ঘুমাও। এ সময় বরুণ শঙ্কর চোখের ইশারায় পাশের ঘর দেখিয়ে দেন। ইমরুল শাহেদ আর দেরি না করে সরাসরি সেই ঘরের দরজায় নক করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন আমজাদ হোসেন বলেন, ‘থাক না, ওরা ঘুমাক।’ এই কথা থেকেই প্রবীণ চিত্রসাংবাদিক নিশ্চিত হয়ে যান ভেতরে সোহেল এবং দিতি আছেন। মুহূর্তেই তার সাংবাদিক মনে প্রশ্ন জাগে- তারা তো বিয়ে করেননি! তাহলে? এতো বিরাট খবর!

ইমরুল শাহেদ এবার জোরে জোরে দরজায় নক করতে থাকেন। বেশ কিছুক্ষণ পর সোহেল চৌধুরী দরজা খুলে দেন। তার চোখে-মুখে স্পষ্ট বিব্রতভাব। কিন্তু ইমরুল শাহেদ সেদিকে না তাকিয়ে সোজা ঢুকে যান রুমের ভেতর। দেখেন খাটে দিতি শুয়ে আছেন। তাকে দেখে দিতি উঠে বসেন। তারপর মুচকি হেসে বলেন, ‘আমি যখন শুনেছি ইউনিটে আপনি আসছেন, তখনই বুঝে গেছি আমরা ধরা পড়ে গেছি। আমি মিষ্টিও এনে রেখেছি। বুঝতেই পারছেন আমরা বিয়ে করেছি। সেই বিয়ের মিষ্টি খাওয়াবো আপনাকে।’

এরপরই মূলত সোহেল চৌধুরী-দিতির বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে। দুঃখজনক হলেও সত্য দুজনই চলে গেছেন পরপারে। সোহেল চৌধুরী আততায়ীর হাতে প্রাণ হারান এবং দিতি মারা যান ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT