সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
যমুনায় জেলের জালে ৪৭ কেজির বাঘাইড়! রমেক হাসপাতালে অনিয়মের প্রতিবাদে গোলটেবিল বৈঠক মা-বাবা-বোনকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে মেহজাবিন রমেকে ৪ হাত-পা বিশিষ্ট নবজাতক, ঋণের বোঝা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিন মজুর পিতা যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের তোপের মুখে ফখরুল ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের মৃত্যু, সাত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ডাস্টবিনে মিলল সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো মূল্যবান চিত্রকর্ম নির্ধারিত স্থান ছাড়া সিটি করপোরেশন-পৌরসভার টোল আদায় নয় বৈচিত্র্যময় টাঙ্গুয়ার হাওরে রোমাঞ্চকর একদিন সিলেট ভ্রমণে যা কিছু দেখবেন তৃতীয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ‘ঘোর’ বাবার প্রতি সন্তানের করণীয়; ইসলাম কী বলে? অবশেষে মুখে হাসি ফুটল চিরদুঃখী সুফিয়ার ভারতে সন্তান জন্মদানের পরেই নেয়া যাবে ভ্যাকসিন গোলের সেঞ্চুরি করে নতুন মাইলফলকে সাবিনা
ডিবি কার্যালয়ে শোনা হলো পরীমণির বক্তব্য নেপথ্যে আরও অনেকে, দু’জনের বিরুদ্ধে তদন্ত

ডিবি কার্যালয়ে শোনা হলো পরীমণির বক্তব্য নেপথ্যে আরও অনেকে, দু’জনের বিরুদ্ধে তদন্ত

মঙ্গলবার ডিবি কার্যালয়ে কথা বলার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি চিত্রনায়িকা পরীমণি (বাঁয়ে); গ্রেপ্তার নাসির উদ্দিন মাহমুদ (ওপরে) ও তুহিন সিদ্দিকী অমিকে আদালতে হাজির করা হয়

বিনোদন ডেস্কঃ বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে নিয়ে নির্যাতনের ভয়াবহ ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হওয়ার সূত্র ধরে হৃদয় বাবুসহ নারী পাচারকারী আন্তর্জাতিক চক্রের চমকপ্রদ সব তথ্য সামনে আসে। একইভাবে অভিনেত্রী পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ক্লাবপাড়ায় মদ-জুয়া ও সুন্দরী নারীদের ব্যবহার করে নানা কারবার এবং দেশে-বিদেশে তরুণী পাচার করে টাকা আয়ের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপের তৎপরতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রুপের অন্যতম হোতা হিসেবে নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী নাজিম সরকার ও তুহিন কাজী। অভিজাত এলাকা উত্তরা, বনানী, বারিধারা, গুলশান ও গাজীপুরে রিসোর্ট, ক্লাবকেন্দ্রিক তাদের গোপন সিন্ডিকেট। পরীমণির মামলায় ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির নেতা নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমি গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসছে নেপথ্যের অনেক তথ্য।

এরই মধ্যে নাজিম ও তুহিনের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। যে কোনো সময় তারা আইনের আওতায় আসতে পারেন- এমন আভাসও মিলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই কর্মকর্তা ও ক্লাবপাড়ায় নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে এমন একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় ক্লাবপাড়ায় নাজিম ও তুহিনকে সবাই চেনেন। তাদের মাধ্যমে রঙিন জগতের ‘অনেক কিছু’ হাতবদল হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে টার্গেট করে তরুণীদের এই সিন্ডিকেটে আনতে তাদের বিশ্বস্ত এজেন্ট রয়েছে। মোবাইল ফোনে যখন তারা কথা বলেন, তখন তরুণীদের ‘প্রোডাক্ট’ নামে সম্বোধন করেন।

মঙ্গলবার এ ব্যাপারে ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, নাজিম ও তুহিনের কর্মকা নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই জগতে তাদের বিচরণ অনেক দিনের। অমির সঙ্গে তুহিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার তথ্যও আমরা পেয়েছি। অমি ও নাজিমের বিদেশে সেকেন্ড হোম রয়েছে বলে জানা গেছে। দক্ষিণখানে হলি ডে প্ল্যানার নামে একটি রিসোর্ট রয়েছে। সেখানে প্রায় নিয়মিত ডিজে পার্টির আয়োজন

হয়। এতে মূল ভূমিকা রাখেন তুহিন কাজী ও অমি। আশকোনায় সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার নামে প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার। অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরে এই সেন্টারের আড়ালে দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও ইউরোপে মানব পাচার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অমি। দুবাইয়ে রয়েছে তার নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা ও টাঙ্গাইলে একাধিক বহুতল বাড়ি, মার্কেট, প্লট, ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে বিপুল বিত্তের মালিক অমি। গতকাল তার মালিকানাধীন সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ঢাকার একটি ধনাঢ্য শ্রেণির কাছে অমির পরিচয় ‘প্রোডাক্ট’ সরবরাহকারী হিসেবে। আর অমির কাছে নানা ‘প্রোডাক্ট’ নিয়ে আসেন তুহিন কাজী। পরে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা ওই জগতে বিচরণ করেন তাদের কাছে প্রোডাক্ট নিয়ে হাজির হন অমি। তুহিন-অমির চক্রে শতাধিক সুন্দরী নারী রয়েছেন।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, গুলশানেও এই চক্রের একাধিক রঙমহল আছে। সেখানে এক অবাঙালি ব্যক্তিও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন। সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, অমি গ্রেপ্তারের দু’দিন আগেও গুলশানে তাদের একটি জলসা বসে। সেখানে অমি, তুহিন কাজী ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক ব্যক্তিও ছিলেন। তুহিন একাধিক বিয়ে করেছেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। এ ছাড়া ঢাকাই সিনেমার আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে ‘চাচাতো বোন’ হিসেবে তিনি পরিচয় দেন। এই সিন্ডিকেটে তরুণীদের পাঠিয়ে যারা সহায়তা করে আসছেন, তাদের মধ্যে সিলেট ও বরিশালের দুই রাজনীতিবিদও আছেন। বরিশালের ওই রাজনীতিবিদ নারী। এ ছাড়া মতিন ও আকবর নামে দু’জনের নাম পাওয়া গেছে, যারা দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে মেয়ে টার্গেট করে নানা প্রলোভন ও ফাঁদ পেতে এই সিন্ডিকেটে যুক্ত করে।

সমাজের এই শ্রেণির ব্যাপারে তথ্য রাখেন এমন এক কর্মকর্তার ভাষ্য- ব্যাংকের বড় ঋণ পাস করানো, বড় ঠিকাদারি কাজ বাগানোসহ অনেক কাজ হাতিয়ে নিতে তারা সুন্দরী নারীদের ব্যবহার করে।  নাজিম সরকার গাজীপুরের বিএনপি নেতা হাসান উদ্দিন সরকারের চাচাতো ভাই। গাজীপুরের কালীগঞ্জে তার রিসোর্ট ও হাউস বিল্ডিংয়ে রেস্টুরেন্ট রয়েছে। উত্তরার রয়েল ক্লাবেরও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি।  অভিযোগের ব্যাপারে নাজিম সরকার ও তুহিন কাজীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ৮ জুন ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনার আগেও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও ব্যবসায়ী নাসিরের সঙ্গে কথা বলেছেন অমি। মূলত পরীমণিকে ফাঁসিয়েছেন তিনি। চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পুলিশকে এও বলেছেন, ঘটনার রাতে বোট ক্লাবে ওয়েটারদের কারণে বড় ধরনের নিপীড়নের হাত থেকে রক্ষা পান তিনি। কারণ বারবার নাসির উত্তেজিত হয়ে ওয়েটারদের বলছিলেন, এখনই লাইট বন্ধ কর। ওয়েটাররা লাইট বন্ধ করতে দেননি। তবে পরীমণির কস্টিউম ডিজাইনার জেমিকে মারধর করেন নাসির। তদন্তে উঠে এসেছে, ক্লাবপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরেই মদের কারবারের বড় নিয়ন্ত্রক তিনি।  এদিকে পুলিশের আরেক কর্মকর্তা জানান, পরীমণিকে নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন নাসির। মূলত অমির কারণে ওই রাতে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। কৌশলে পরীমণিকে ঢাকা বোট ক্লাবে নিয়ে যান তিনি।

ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে পুলিশ :ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সঠিক বিচার পাবেন বলে আশা করেছেন পরীমণি। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করায় গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পরীমণি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে যান। এ সময় ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদসহ পুলিশের কয়েক সদস্যের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী ও জেমি।  গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথোপকথনের পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বেরিয়ে এসে পরীমণি সাংবাদিকদের বলেন, একটা ম্যাজিকের মতো হয়ে গেছে। পুলিশ এত অল্প সময়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। ঘুমিয়ে মানুষ জাগে সকালে, সে সুযোগটা পাইনি। মানে ঘুমানোর টাইম পাইনি। তার আগে দেখলাম দ্রুত কাজগুলো হয়ে গেছে। পুলিশ যে এত ম্যাজিক্যাল হয়, তার তো বড় প্রমাণ এটা। পুলিশ মহাপরিদর্শককে ধন্যবাদ দেব। তার কান অবধি যখন পৌঁছাতে পেরেছি, তখন তো আপনারা দেখলেন, আসামি গ্রেপ্তারে কয়েক ঘণ্টা লেগেছে মাত্র। আমার বিশ্বাস, সঠিক বিচারটা পাব।

পরীমণি বলেন, আমরা তো আসলে মিডিয়ার মানুষ। নতুন নতুন গল্প বানাই। অনেকের প্রশ্ন ছিল, বাসা থেকে আসার সময় আমাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে- এ রকম একটা ব্যাপার। আমাকে কোথাও আসলে নিয়ে যাওয়া হয়নি। একা একাই এসেছি। সবই তো দেখেছেন আপনারা।  ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্ধুসুলভ কথোপকথন হয়েছে। এখন মানসিক স্বস্তি পাচ্ছি। তিনি বলেন, এখানে এসে মেন্টালি অনেকটা রিফ্রেশ। আমি যে কাজে ফিরব, এটা কেউ আমাকে বলেনি। আমার আশপাশের যারা ছিল, সবাই সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আমার যে কাজে ফিরতে হবে, এতক্ষণ ধরে তারা সেই শক্তিটা জুগিয়েছেন।

মদ খেতে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমণি সাংবাদিকদের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমি মদ খেতে বা ছিনতাই করতে গিয়েছিলাম, এটা কি কখনও সম্ভব? আপনারা কি তা-ই মনে করেন? আমি কতটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিলাম, সেটা শুধু আমিই জানি। সবাই আমাকে সাপোর্ট করেছে। সবার ভালোবাসা দেখে অভিভূত। এখন উঠে দাঁড়াতে পারছি।’

এরপর ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, পরীমণি স্বনামধন্য নায়িকা, আরেক দিকে সে আমাদের ছোট বোন। সে হিসেবে আমাদের দায়িত্বটা হচ্ছে, যখন আমরা ‘ফেস’ মিডিয়ায় ওর কথাটা শুনলাম, তখন পুলিশ মহাপরিদর্শক বিষয়টি দেখার জন্য আমাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। মামলা হওয়ার আগেই ১২ ঘণ্টার মধ্যে কিন্তু আমরা আসামিদের গ্রেপ্তার করেছি। আসামিরা যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, তাদের যেন ছাড় না দেওয়া হয়। পরীমণিকে এটা আশ্বস্ত করেছি। আমরা এই মামলা সমাপ্তি পর্যন্ত দেখভাল করব, যাতে এটির সুষ্ঠু বিচার হয়।

রিমান্ড :পরীমণির ঘটনায় নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিকে মাদক আইনের মামলায় সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। বিমানবন্দর থানার এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন নারী লিপি আক্তার, সুমি আক্তার ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধাকেও তিন দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গোয়েন্দা পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি গতকাল এই আদেশ দেন।

এতে বলা হয়, নাসির ও অমিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এবং তিন নারী আসামিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রিমান্ডে নিতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে রিমান্ড বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে। আর নারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে নারী পুলিশের উপস্থিতিতে।
পরীমণি সোমবার সকালে সাভার থানায় ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে মামলা করার পর দুপুরেই ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি নাসির ও অমিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ওই বাসা থেকে মদ ও ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।  এদিকে পরীমণির মামলায় ৮ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। নাসির ও অমিকে দুই মামলায় ২০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু, সাজ্জাদুর রহমান শিহাব ও তাপস পাল।

আসামিদের পক্ষে রিমান্ডের বিরোধিতা করেন আইনজীবী এ এইচ ইমরুল কাউছার, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন, সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীসহ বেশ কয়েকজন। আবদুল্লাহ আবু বলেন, আসামি নাসির মাহমুদ ও অন্যরা মধুকুঞ্জ বানিয়ে আমোদ-প্রমোদে ব্যস্ত থাকেন। ভদ্রতার মুখোশের আড়ালে তারা এসব অপকর্ম করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইমরুল কাউছার বলেন, নাসির উদ্দিন মাহমুদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তার কাছ থেকে কোনো মাদকও উদ্ধার করা হয়নি। অথচ রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, নাসিরের দেখানো মতে ও নিজ হাতে বের করে দেওয়া মাদক আলামতগুলো উদ্ধার করা হয়।

এজেড এন বিডি ২৪/ শান্ত 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT