শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ত্রিপুরার নীল রানাউত ধর্ষণের দায়ে ৭ পুরুষকে হত্যা করেন যে নারী! কাঞ্চন বলছে মাসে সাড়ে ৩ লাখ টাকা চেয়েছি, প্রমাণ কী : পিঙ্কি ওসি প্রদীপের সহযোগী কনস্টেবল সাগরের আত্মসমর্পণ এবার ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে কঙ্গনা, পরিচালনাও করবেন তিনি ব্রাজিলের সেই গোল নিয়ে বিতর্ক থামছেই না, দেখুন ভিডিও জর্ডান-ইরানের গ্রুপে সাবিনা-মৌসুমিরা জেলের জালে ধরা পড়লো শুশুক, কিনে জরিমানা গুনলেন দুজন তেত্রিশ বসন্ত পেরিয়ে চৌত্রিশে মেসি নির্মাণ হচ্ছে আটটি আধুনিক সাইলো জীবিকার চাকা সচল রাখতে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার শনিবার থেকে পিরোজপুরের ৪ পৌর এলাকায় লকডাউন সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন করোনায় ভুগে হতাশা-যন্ত্রণায় আত্মহত্যা জেনারেল র‍্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন সেনাপ্রধানকে
এক লাখ টাকার জন্য বাড়ি ফিরতে পারছেন না এফডিসির মুড়ি বিক্রেতা মোল্লা

এক লাখ টাকার জন্য বাড়ি ফিরতে পারছেন না এফডিসির মুড়ি বিক্রেতা মোল্লা

বিনোদন ডেস্কঃ  রাজ্জাক, শাবানা, আলমগীর, মান্না, শাবনূর বা সালমান শাহ থেকে এ সময়ের শাকিব খান, জায়েদ খান সবারই প্রিয় মোল্লার ঝাল মুড়ি। ১৯৭২ সাল থেকে এফডিসিতে এ কাজ করে আসছেন তিনি। সেখানকার মসজিদের খাদেম হিসেবেও কাজ করছেন তখন থেকেই। মাঝে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অর্ধেক শরীর অবশ হয়ে গেছে। এক হাতেই বানাচ্ছেন মুড়ি। এখন অনেকটা অসহায়ের মতোই কাটছে তার জীবন। সামান্য সহযোগিতা পেলেই নিজের বাড়িতে চলে যেতে চান আবদুল মান্নান মোল্লা।

আব্দুল মান্নান মোল্লা  বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকেই এফডিসিতে কাজ করছি। শুরুটা ছিল পরিচালক মহসিন স্যারের বাসায় ১০ টাকা বেতনের চাকুরি দিয়ে। তারপর এফডিসি এসে মসজিদে খাদেম হিসেবে কাজ শুরু করি। তার পাশাপাশি মুড়ি বিক্রি করছি। আগে বিক্রি ভালো ছিল। প্রতিদিন চার কেজি মুড়ি বিক্রি হতো। এখন সিনেমার কাজ কম থাকায় এক কেজিও বিক্রি হয় না। বিক্রি কমে যাওয়ায় খুবই কষ্টে চলতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, নায়ক রাজ্জাক, শাবানা, আলমগীর, মান্না, সালমান শাহ, শাবনূর তারা সবাই আমার মুড়ি খেতো। মান্না মারা যাওয়ার কারণে আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে। মান্না আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। মান্না মারা যাওয়ার পর কেউ সহযোগিতা করেনি। করোনার মধ্যে শাকিব খান পাঁচশত টাকা, মৌসুমী আপা পনেরো শত টাকা, চম্পা আপা পনেরো শত টাকা, জায়েদ খান দুই হাজার, আনোয়ারা এক হাজার টাকা দিয়েছেন। শিল্পীদের কাছে গেলে সহযোগিতা পাই কিন্তু যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। এক পা অচল হয়ে গেছে। এ দিয়ে সংসার চলে না।

কান্না জর্জারিত কন্ঠে আব্দুল মান্নান বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা। এক ছেলে তিন মেয়ে তারাও খুব কষ্টে আছে। যা উপার্জন করি তা নিয়ে বাড়ি গিয়ে কি করব? প্রতিমাসে নিজের জন্য ১২০০ টাকার ঔষধ লাগে। সেই উপার্জন তো আমার নেই। এফডিসি কতৃপক্ষ জানিয়েছেন আর এফডিসিতে থাকা যাবে না। জেমি ও খোকন সাহেবকে দিয়ে দরখাস্ত করেছি তারা থাকতে বলছে। সবাই মিলে যদি আমাকে সহযোগিতা করে লাখ খানেক টাকা দেয় তাহলে আমি একেবারে বাড়ি চলে যেতাম।

এজেড এন বিডি ২৪/ রেজা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT