মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
পানির সঙ্গে এসিড মিশিয়ে স্বামীকে হত্যা নোয়াখালীতে জাল ভোট দিতে গিয়ে দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ধরা ‘আমাকে আর ইভা রহমান ডাকবেন না’ আবার বিয়ে করলেন ইভা রহমান, মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ ব্যবসায়ী সোহেল আরমানের ঘরে ইভা রহমান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব এক হাত নিয়েই জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাইফুল সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিল যুবক নরসিংদী সদর ইউএনও’র ফোন নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো শিশু স্বচ্ছ থাকলে সাংবাদিক নেতাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: তথ্যমন্ত্রী শীতলা বাড়িতে এবার অজান্তা প্রতিমায় দুর্গাপূজা দুর্গাপূজায় ৩ কোটি টাকা অনুদান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণেই মহামারিতে রূপ নিতে পারেনি করোনা: নৌপ্রতিমন্ত্রী
প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্কঃ দীর্ঘ দেড় বছর পর আবারও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রথমদিন বিদ্যালয়ে আসা পাহাড়ি-বাঙালি শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে ছিল আনন্দ উচ্ছ্বাস। কারোনার কারণে গৃহবন্দী শিক্ষার্থীরা প্রিয় বিদ্যাপীঠে এসে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কিন্তু তাদেরও বরণ করতে আয়োজনের কমতি ছিল না শিক্ষকদেরও। শিক্ষার্থী শূন্য বিদ্যালয়গুলো আবারও উজ্জীবিত করতে করা হয় নানা আয়োজন।

রবিবার সকাল ৭টায় রাঙামাটির রানী দয়াময়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রধান গেইটে করা হয় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। শুধু তাই নয়, মাস্কে পরিধানের পাশাপাশি বসার স্থানেও রাখা হয় তিন ফুট দূরুত্ব। বিদ্যালয়ে প্রবেশ কারার আগে সব শিক্ষার্থীদের শরীরে তাপমাত্রও মাপা হয়।

রাঙামাটি রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম হলেও দীর্ঘদিন পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওযায় শিক্ষার্থীরা খুবই খুশি। স্বাভাবিক শিক্ষার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পেরে তারা খুবই উৎফুল্ল। আমরা বিদ্যায়গুলোতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ১০০ ভাগ নিশ্চিত করেছি। যদি অভিভাবকরাও এ নির্দেশনা মেনে চলেন। তাহলে করোনা মহামারির মধ্যে বিদ্যালয় পরিচালনা করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে জটলা কমাতে ২টি আলাদা আলাদা বিভাগে ভাগ করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে সকাল ও বিকাল। শ্রেণি কক্ষেও শিক্ষার্থীদের নজড়দাড়িতে রাখছেন শিক্ষকরা। আশা করি সবাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা থাকবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ তমা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x