বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
এসি বিস্ফোরণের কারণ ও রক্ষা পেতে করণীয় উপহার নিয়ে অভিযুক্ত স্যামুলেস নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিয়েছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রীর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল একটুতেই অসুস্থ হচ্ছেন? এর জন্য দায়ী যে পাঁচটি বদভ্যাস দেশের লাখ লাখ তরুণদের স্বপ্ন জাগিয়েছেন শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের কীটনাশক দিয়ে ৭২টি ঘুঘু-কবুতর হত্যার ঘটনায় থানায় অভিযোগ সিরাজগঞ্জে ২০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ব্যাঙের ছবিতে লুকিয়ে আছে ঘোড়া, খুঁজে বের করতে পারবেন? এক ডালেই সাড়ে ৮০০ টমেটো, গিনেস বুকে নাম স্মার্ট পোশাক না পরলে ঢোকা যাবে না রেস্তোরাঁয় রোজীর বাহারি অফার: একা গেলে ১৮ লাখ, সপরিবারে ২৩ লাখ কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জনের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে যা বললেন ভুক্তভোগী নারী ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই আত্মগোপনে ছিলেন ৯ বছর

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই আত্মগোপনে ছিলেন ৯ বছর

অনলাইন ডেস্কঃ হবিগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের মেয়েকে লুকিয়ে রেখে অপহরণ মামলা দায়ের করেন এক নারী। এ মামলায় সাড়ে ৯ বছর ধরে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন চার ব্যক্তি। এরমধ্যে জেল খেটেছেন তিনজন।

অবশেষে পুলিশের তৎপরতায় বেরিয়ে এসেছে মূল রহস্য। দীর্ঘ সাড়ে ৯ বছর পর জানা গেল অপহরণ মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই নারী ঢাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন।

সোমবার তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ওই নারীর নাম জহুরা খাতুন শিমু। তিনি সদর উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে হবিগঞ্জ নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে পরিবারের কাছে নিরাপদ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শিমুকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন তার মা আমেনা খাতুন। একই গ্রামের আব্দুর রশিদ, সুরাব আলী, আব্বাস মিয়া ও হারুন মিয়াকে এ মামলায় আসামি করা হয়। আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরে চারজনই উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। কিন্তু নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন সাড়ে ৯ বছর ধরে।

সম্প্রতি মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে অপহৃত ওই নারীকে উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। এরপর শিমুর সন্ধানে নামে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। সোমবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে শিমুকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া সদর থানার এসআই সনৎ কান্তি দাশ বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিমু জানিয়েছেন, তাকে কেউ অপহরণ করেননি। পরিবারের পরামর্শে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য তিনি সিদ্ধিরগঞ্জে ৯ বছর আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের একটি গার্মেন্টেসে কারখানায় চাকরি করতেন। নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হতো। বাড়িতে টাকাও পাঠাতেন তিনি।

তিনি আরো জানান, প্রতিপক্ষ পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল তাদের। অপহরণ মামলাটি পুলিশ মিথ্যা উল্লেখ করে আদালতে দুইবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। কিন্তু বাদীপক্ষের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দিয়েছিল আদালত।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x