বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
এসি বিস্ফোরণের কারণ ও রক্ষা পেতে করণীয় উপহার নিয়ে অভিযুক্ত স্যামুলেস নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিয়েছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রীর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল একটুতেই অসুস্থ হচ্ছেন? এর জন্য দায়ী যে পাঁচটি বদভ্যাস দেশের লাখ লাখ তরুণদের স্বপ্ন জাগিয়েছেন শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের কীটনাশক দিয়ে ৭২টি ঘুঘু-কবুতর হত্যার ঘটনায় থানায় অভিযোগ সিরাজগঞ্জে ২০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ব্যাঙের ছবিতে লুকিয়ে আছে ঘোড়া, খুঁজে বের করতে পারবেন? এক ডালেই সাড়ে ৮০০ টমেটো, গিনেস বুকে নাম স্মার্ট পোশাক না পরলে ঢোকা যাবে না রেস্তোরাঁয় রোজীর বাহারি অফার: একা গেলে ১৮ লাখ, সপরিবারে ২৩ লাখ কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জনের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে যা বললেন ভুক্তভোগী নারী ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
পাবনায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্কুলশিক্ষিকা আটক

পাবনায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্কুলশিক্ষিকা আটক

অনলাইন ডেস্কঃ ব্যাংকে টাকা রাখলে যে মুনাফা হয় তার চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা দেয়ার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। সীমা আক্তার নামে ওই নারী পাবনা পৌর সদরের পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাথমিক শাখার শিক্ষিকা। তিনি  পাবনা শহরের আটুয়া হাউজ পাড়া মহল্লার হানিফুল ইসলামের স্ত্রী। প্রতারিত লোকজন তাকে মঙ্গলবার সারাদিন তার বাসায় অবরুদ্ধ করে রাখেন। মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। গ্রাহকদের হিসেবে ১০ কোটি টাকা কিন্তু ওই নারী স্বীকার করেছেন তিনি তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

প্রতারণার শিকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ওই শিক্ষিকা তাদের বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে লাভ দেওয়ার লোভ দেখান। পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক হওয়ায় সবাই তাকে সরল মনে বিশ্বাস করেন। ওই নারী জানিয়েছিলেন তিনি গরুর খামার ও আরো নানা ধরনের হালাল ব্যবসা করে লাভ করেন। সে লাভের অংশ আমানতকারীদের দেওয়ার কথা বলেন। সবার বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের বেশ কিছুদিন সবাইকে কথিত লাভের টাকা নিয়মিত দিতে থাকেন। এতে লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়েন তার কাছে। এভাবে তিনি হাতিয়ে নেন ১০ কোটি টাকা। এরপর গত একমাস ধরে তার সঙ্গে গ্রাহকরা যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। তখন তারা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। তাদের কেউ কেউ পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগও করেন।

এই প্রতারক নারী শিক্ষিকা অনেকের কাছ থেকে চেক ও স্ট্যাম্পের মাধ্যমেও টাকা নিয়েছেন। তার প্রতারণার জালে পড়েছেন তার সহকর্মী থেকে শুরু করে একাধিক পুলিশ সদস্য। মাসিক লাভ বন্ধ হওয়ায় তার বাড়িতে গ্রাহকদের ভিড় বাড়তে থাকায় ভুক্তভোগীরা টের পান প্রতারিত হয়েছেন অনেকেই। মঙ্গলবার গ্রাহকরা তাকে বাড়িতে পেয়ে তাকে সারাদিন অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। এরপর তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই প্রতারক নারী ব্যবসায়ীর বৈধ কোনো কাগজ পত্র পাওয়া যায়নি। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি একজনের কাছে থেকে নেয়া টাকা আরেক জনকে দিয়েছেন বলে জানান।

তিনি আরো জানান, তার কোনো বৈধ ব্যবসা নেই। যারা টাকা দিয়েছে তাদেরকে সুদে অনেক টাকা লাভ দিয়েছেন। কারো টাকা আত্মসাৎ করেননি। মানুষ না জেনে না বুঝে তাকে টাকা দিয়েছে, এটা তাদের ভুল। তিনি জানান, সম্প্রতি যারা তাকে টাকা দিয়েছে তাদের টাকার একটি হিসাব তিনি করেছেন। এর পরিমাণ তার হিসাবে তিন কোটি টাকা। তিনি সেসব টাকা দিয়ে দেবেন। আর যারা বেশি লাভের আশায় দিয়েছেন তাদের দাবি করা টাকা তিনি দিতে পারবেন না।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আখতার বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কারণে তাকে স্কুল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অনেকেই তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নিয়ে এসেছেন। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের আলোকে মামলা করা হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/ তমা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x