শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১, ০৫:১১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
করোনায় প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন সেই বিচারকের ভুল ছবি দিয়ে তসলিমার টুইট সিডরে ভেসে যাওয়া সেই রিয়া এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিশ্বকাপে কোন দল কত টাকা পেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কতটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ছক্কার রাজা পরিবহণ ধর্মঘট বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা বৈঠক হঠাৎ স্থগিত আফগানরা না জিতলে কী করবে ভারত, জানালেন জাদেজা শেষ দুই বলের ছক্কায় উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৫৭ বিদায় ইউনিভার্স বস মোশাররফ করিমের সঙ্গী হচ্ছেন পার্নো মিত্র ‘জীবনটা কফির মতো’ দাবি না মানলে ধর্মঘট চলবে চট্টগ্রামে পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহার পুরো কুরআনের ক্যালিগ্রাফি এঁকে প্রশংসায় ভাসছেন তরুণী দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি
পাত্রীর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গেলে তিমি মাছের দাঁত দিতে হয় যাদের

পাত্রীর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গেলে তিমি মাছের দাঁত দিতে হয় যাদের

ফিচার ডেস্ক : দক্ষিন প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ছোট্ট দেশ ফিজি। এই এদেশের গ্রামগুলোতে সানগ্লাস এবং মাথায় হ্যাট বা টুপি পরা নিষিদ্ধ। কারণ সেখানে শুধু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সানগ্লাস ও টুপি পরার অধিকার রাখেন।

ফিজিরা অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণে খাবার

ফিজিরা অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণে খাবার

তাদের মধ্যে উপহার দেয়ার সংস্কৃতি বেশ প্রচলিত। বিশেষ করে কিছু সম্প্রদায় আছে, যারা যে কোনো অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণে খাবার। তার সঙ্গে দিয়ে থাকে ভার্গের কাপড় ও কাভা। কাভা হলো তাদের জাতীয় পানীয়। যা তৈরি করা হয় বিশেষ এক ধরনের উদ্ভিদের শেকড় দিয়ে। ফিজিয়ানদের বিয়ে রীতি হলো পাত্রী বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গেলে তিমি মাছের দাঁত দিতে হয়। তাদের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো লোভ ফিস্ট। যা তৈরি করা হয় ভূগর্ভস্থ গরম চুল্লিতে।

 ফিজিয়ানদের বিয়ে রীতি হলো পাত্রী বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গেলে তিমি মাছের দাঁত দিতে হয়

ফিজিয়ানদের বিয়ে রীতি হলো পাত্রী বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গেলে তিমি মাছের দাঁত দিতে হয়

প্রাচীন ফিজির লোকেরা কালো জাদুতে খুব পারদর্শী ছিল। বলা হয়ে থাকে, তারা আত্মার সঙ্গে কথা বলতে পারত এবং আত্মাকে বশ করতে পারত। নরমাংসভক্ষণ প্রথা প্রথম চালু হয় ফিজিতে। খ্রিস্টধর্ম সূচনা হওয়ার আগপর্যন্ত দেশটিতে এই প্রথার প্রচলন ছিল। সব ফিজিয়ানরা বিশ্বাস করেন পাহাড়ের গুহায় দিঘী নামক একটি বৃহৎ সাপ এখনো অবস্থান করছে। তাদের ধারণা এর সর্গদেবতাই তাদেরকে সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ফিজিয়ে এনেছিল।

ফিজির বাসিরা

ফিজির বাসিরা

শিক্ষা বাধ্যতামূলক না থাকলেও এখানে শিক্ষার হার অনেক বেশি। নাগরিকদের মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ মানুষই শিক্ষিত। তাদের জাতীয় খেলা হলো রাগবি। দেশটির জাতীয় রাগবিদল আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অত্যন্ত সফল। দেশটির সবচেয়ে বৃহত্তম শহর, প্রধান বন্দর এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলো রাজধানী সুভা। শহরটিতে প্রায় ৮৮ হাজার লোক বাস করে। সুভা শুধুমাত্র ফিজির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নয়, বরং পুরো দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু। শহরটির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে পর্যটন অন্যতম। শুল্কমুক্ত কেনাকাটা ও ব্যতিক্রমী সব হোটেলের কারণে হাজার হাজার পর্যটক প্রতিবছর ফিজি ভ্রমণ করে থাকে।

শুল্কমুক্ত কেনাকাটা ও ব্যতিক্রমী সব হোটেলের কারণে হাজার হাজার পর্যটক প্রতিবছর ফিজি ভ্রমণ করে থাকে

শুল্কমুক্ত কেনাকাটা ও ব্যতিক্রমী সব হোটেলের কারণে হাজার হাজার পর্যটক প্রতিবছর ফিজি ভ্রমণ করে থাকে

আধুনিক বহু গবেষণা মতে সূর্যোদয়ের দেশ হলো ফিজি। এখানে প্রতিদিন সবার আগে সূর্য ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল ডেট লাইন এ অবস্থিত পৃথিবীর একমাত্র আবাদ অঞ্চল হলো এটি। এই ডেট লাইনের পাশেই রয়েছে একটি মনোরম মসজিদ। এখান থেকেই প্রতিদিন পৃথিবীর সর্বপ্রথম আজান শোনা যায়। দেশটিতে ৪০ শতাংশ মানুষই ভারতীয়। তাই একে দ্বিতীয় ভারতীয় বলা হয়। তাদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও ফিজিয়ানের পাশাপাশি হিন্দি ও ব্যবহার করা হয়। ফিজিতে বসবাসরত আদিবাসীদের বলা হয় ক্যাভেতে। তাদের চেহারায় আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার ছাপ বিদ্যমান।

আধুনিক বহু গবেষণা মতে সূর্যোদয়ের দেশ হলো ফিজি

আধুনিক বহু গবেষণা মতে সূর্যোদয়ের দেশ হলো ফিজি

প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় ফিজির অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ সচ্ছল। তাদের অর্থনৈতিক আয়ের মূল উৎস হলো ট্যুরিজম ও চিনির উৎপাদন। তবে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি ও মৎস্য শিকারও এখানকার মানুষের আয়ের উৎস। তাদের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ১০ হাজার ডলার। ফিজিয়ান ডলারের মান অনেক। দেশে প্রচুর পরিমাণে নির্মাণ শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। থাকা খাওয়া ও ভালো বেতনের পাশাপাশি ফিজির কাজের পরিবেশ ও চমৎকার।

যে কারণে ফিজির পতাকায় এখনও ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পাওয়া যায় এবং কাগজের টাকায় রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি ব্যবহার করা হয়

যে কারণে ফিজির পতাকায় এখনও ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পাওয়া যায় এবং কাগজের টাকায় রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি ব্যবহার করা হয়

১৯৭০ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা পেলেও ফিজি এখনও কমনওয়েলথের অংশ। যে কারণে ফিজির পতাকায় এখনও ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পাওয়া যায়। যা ইংল্যান্ডের পতাকার একটি নাম। এমনকি কাগজের টাকায় রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি ব্যবহার করা হয়।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x