মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৮৫ টাকা ‘আবারও অনুরোধ করছি, হাফ ভাড়া বাস্তবায়ন করুন’ ঢাকাপ্রকাশ’র যাত্রা শুরু আলাউদ্দিন হোসেনের তিনটি ছড়া হারানো মোবাইল উদ্ধার করবেন যেভাবে ‘হর্নবিল ফেস্টিভ্যাল’ সম্পর্কিত অজানা যত তথ্য রূপগঞ্জে ‘ঢাকাই মসলিন হাউস’ প্রতিষ্ঠা করবে বস্ত্র মন্ত্রণালয় পার্বত্য শান্তিচুক্তি : পাহাড়ি-বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে শান্তি চুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ হাফ ভাড়া তামাশা ‘নিরাপত্তাহীনতায়’ আলেশা মার্ট বন্ধ ঘোষণা হাঁটতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠা কেন? বিকেএসপিতে ৩৮ জনের চাকরির সুযোগ একহাতে ১৩ টেনিস বল রেখে গিনেস বুকে বাংলাদেশি মনিরুল নিজেকে সামলাতে পারবেন পূজা?
নিজ দলেই বিতর্কিত তারেক, শঙ্কা ভবিষ্যৎ নিয়ে

নিজ দলেই বিতর্কিত তারেক, শঙ্কা ভবিষ্যৎ নিয়ে

অনলাইন ডেস্কঃ প্রায় ১৪ বছর ধরে লন্ডনে পালিয়ে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিতর্কিত নানা কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিকভাবে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ কী?

২০০১ সালের নির্বাচনের পর তারেক রহমানের উত্থান ঘটে। এরপর তিনি খালেদা জিয়ার বিকল্প প্যারালাল একটি রাজনৈতিক পরিকাঠামো বিএনপিতে গঠন করেন। তার নিজস্ব পছন্দের লোকজনকে তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। হাওয়া ভবনের মাধ্যমে তিনি সরকার এবং রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ওয়ান-ইলেভেন আসার পর প্রথমে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং পরে তারেক রহমান গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তারেক রাজত্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দলটির নাম হলো বিএনপি।

এই সময় বিএনপি জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ১০ ট্রাক অস্ত্রের ঘটনায় সরাসরি তারেককে অভিযুক্ত করা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে তারেক রহমানের সম্পর্ক রয়েছে বলে একাধিক তদন্ত রিপোর্টে জানানো হয়েছে। এরকম বাস্তবতায় তারেক রহমান লন্ডন থেকে বিএনপিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর এই নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন যেটি উঠেছে তা হলো, আসলে তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী?

এক সময় তারেক রহমান ছিলেন দলের মধ্যে একচ্ছত্র নেতা। দলের বাইরে তাকে পরবর্তী জেনারেশনের প্রতিনিধি মনে করা হতো। কিন্তু ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তারেক রহমানের দলের মধ্যে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, জনপ্রিয়তা থাকলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং দলের বাইরের সাধারণ মানুষের কাছে দুর্নীতিবাজ, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক মনে করা হতো। আর ২০২১ সালে এসে তারেক রহমান তার নিজের দলে এখন সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

বিএনপি নেতারা প্রকাশ্যে না বললেও গোপনে তারা স্বীকার করেন, তারেক রহমান যতদিন বিএনপিতে থাকবেন ততদিন বিএনপির কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তিনি একাধিক মামলায় দণ্ডিত। কাজেই সহসা তার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। দেশে ফিরলেও তিনি কিছু করতে পারবেন এমন সম্ভাবনাও খুব একটা নেই।

কারাগারের ভয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা, নিজের মায়ের অসুস্থতার কথা শুনে খবর না নেয়া এবং রাজনৈতিক দলকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি, টাকা আদায় ইত্যাদি ঘটনা দলের মধ্যেও তারেক রহমানের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাই তারেক রহমান এখন দলে, দলের বাইরে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রহণযোগ্য একটি নাম। এই বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x