মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৮৫ টাকা ‘আবারও অনুরোধ করছি, হাফ ভাড়া বাস্তবায়ন করুন’ ঢাকাপ্রকাশ’র যাত্রা শুরু আলাউদ্দিন হোসেনের তিনটি ছড়া হারানো মোবাইল উদ্ধার করবেন যেভাবে ‘হর্নবিল ফেস্টিভ্যাল’ সম্পর্কিত অজানা যত তথ্য রূপগঞ্জে ‘ঢাকাই মসলিন হাউস’ প্রতিষ্ঠা করবে বস্ত্র মন্ত্রণালয় পার্বত্য শান্তিচুক্তি : পাহাড়ি-বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে শান্তি চুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ হাফ ভাড়া তামাশা ‘নিরাপত্তাহীনতায়’ আলেশা মার্ট বন্ধ ঘোষণা হাঁটতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠা কেন? বিকেএসপিতে ৩৮ জনের চাকরির সুযোগ একহাতে ১৩ টেনিস বল রেখে গিনেস বুকে বাংলাদেশি মনিরুল নিজেকে সামলাতে পারবেন পূজা?
ধীরলয়ে এগোতে চান ডিজাইনার তামান্না

ধীরলয়ে এগোতে চান ডিজাইনার তামান্না

ফ্যাশন ডিজাইনার নুুসরাত জাহান তামান্না

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ইচ্ছার শুরুটা হয় খুব ছোট একটি মুহুর্তের উপলব্ধি থেকে। কাছের একজন আত্মীয়ের বিয়েতে সবার জন্য একই ধরনের কাপড় বানানোর দায়িত্ব পড়লো আমার ঘাড়ে। বানালামও। সবার জন্য একই ধরনের কাপড়। ঠিক তখনই ছোটবেলার শখটা আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শৈশবে দেখা স্বপ্নটা পেয়ে বসলো নাছোড়বান্দার মতো।

কীভাবে কী করবো বুঝে ওঠতে পারছিলাম না। সম্পূর্ণ অচেনা এই পথে কীভাবে এগোবো সামনে! ভয় লাগছিলো মাকে বলতে। মা যদি পড়াশোনা বরবাদ হবে ভেবে ধমক দেয়-তখন অঙ্কুরেই সব শেষ। না, মা ধমক দেননি। সবকিছু শুনে বাহবা দিয়েছেন বারবার। মায়ের উৎসাহ ছিলো আমার চেয়েও বেশি। সেই উৎসাহ সাহস বাড়ায় আমারও। দাঁড়িয়ে যায় আমার স্বপ্নের ‘ফ্রেকো’।

নুুসরাত জাহান তামান্না

বলছিলেন, চট্টগ্রামের সুু-পরিচিত অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ফ্রেকো’র স্বত্বাধিকারী ও ফ্যাশন ডিজাইনার নুুসরাত জাহান তামান্না।তিনি বলেন, কাপড় ডিজাইন করে ক্রেতাদের মুখে হাসি দেখতে অনেক ভালো লাগে। কিন্তু শুরুতে কঠিন ছিল সব সামলিয়ে নেওয়া। ধীরে ধীরে গুছিয়ে নেই সব। কাপড় কেনা থেকে শুরু করে গ্রাহকের কাছ থেকে রিভিউ নেওয়া-সব কিছু একা সামলাতে হয় আমাকে।

 

 

 

তামান্নার প্রথম চেষ্টা ছিলো ‘ফ্রেকো’কে সবার কাছে পরিচিত করে তোলা। আস্তে আস্তে মানুষ জানতে পারবে, চিনতে পরবে ফ্রেকোকে-এমন ভাবনা নিয়ে ধীরলয়ে পথচলা তাঁর। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মা-ই অনেক সাহায্য করেছে আমাকে। সাহায্য করেছেন বাবাও। বাবা তাঁর ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করেছে আমার সফলতার সঙ্গী হওয়ার। উনি না থাকলে লাভ-লোকসানের হিসাব কষাটা কখনো শেখা হত না।

এখন আমি সি.বি.আই.এফ.টি’তে ১ম বর্ষে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের শিক্ষার্থী। লেখাপড়ার পাশাপাশি কাজকে গুছিয়ে নিয়েছি নিজের মত করে। বলেন তামান্না। তামান্না আরও বলেন, আমার স্বপ্ন আরও বড়। ‘ফ্রেকো’ কে নিয়ে যেতে চাই আরও বড় পরিসরে। যেখানো গেলে আমার মতো অনেক স্বপ্নবাজ নারী তাঁর ঠিকানা খুঁজে পাবে ‘ফ্রেকো’-তে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x