বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে গেল পাকিস্তান খাগড়াছড়িতে জাতীয় পতাকা প্রদক্ষিণ শোভাযাত্রা যশোরে আনসার-ভিডিপি’র পতাকা র‌্যালি মাদারীপুরে আনসার ও ভিডিপির পতাকা র‍্যালি মানিকগঞ্জে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পতাকা র‌্যালি কক্সবাজারে যাত্রা শুরু হলো দেশের প্রথম উড়ন্ত রেস্টুরেন্টের টপ চারের একি হাল! লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকায় পুলিশ সদস্যকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা সমুদ্রে ডাকাতি, উপকূলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মুক্তিপণ আদায় তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকীতে নেই কোনো সরকারি কর্মসূচি জাহাঙ্গীর আলম কি আওয়ামী লীগে একজনই? বাংলাদেশের পঞ্চাশে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের প্রাসঙ্গিকতা পথশিশুদের নিয়ে এম এ রশিদের গান ডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাস ‘উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও জনতা’র নামে পুলিশের মামলা, আসামি ৮০০
ধারালো দর্শকের প্রশ্নের তীর : কতটা বিদ্ধ হতে প্রস্তুত পরিচালকগণ?

ধারালো দর্শকের প্রশ্নের তীর : কতটা বিদ্ধ হতে প্রস্তুত পরিচালকগণ?

ইশতিয়াক আহমেদ:  বাংলা নাটক খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। এটাকে অভিশাপও বলা যায়, বলা যায় আশীর্বাদও। তিন বছর আগে এই প্রক্রিয়ার শুরু। দর্শক মোশাররফ করিমের মত সু-অভিনেতার একঘেয়েমি ও ভাঁড়ামি অভিনয়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। তারা জানিয়ে দিয়েছে, অভিনেতা যতই প্রিয় হোক; তাকে একই রকমভাবে বারবার দেখতে চাই না।

এ বছর আবার আরেক পরিবর্তনের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সেটা। মেহজাবিনের মতো মেধাবী অভিনেত্রীকে দূরে ঠেলে দেওয়ার সাহস করেছে দর্শক। দর্শক মেহজাবিনকে জানিয়ে দিচ্ছে, আপনি একই বৃত্তে ঘুরছেন। আপনার কাছে আমরা বহুমাত্রিকতা প্রত্যাশা করি। এখানে মোশাররফ করিম বা মেহজাবিন বিষয় না। বিষয়, দর্শক ঠোট কাঁটা হয়ে যাচ্ছে। তারা মুহূর্তেই যে কাউকে ত্যাজ্য করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখছে। সুতরাং, বাংলা নাটকের বাঁকে দুই বড় পরিবর্তন হুমায়ূন আহমেদ এবং মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পর কোনও কিছুই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ গল্পে ও চিত্রনাট্যে সাহিত্য বিমুখতা।

লেখক হয়ে জন্ম নেওয়া হুমায়ূন আহমেদ নাটক পরিচালনার ক্ষেত্রে দুনিয়া পড়ে এসে স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। পরিচালক হয়ে জন্ম নেওয়া মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বাংলা সাহিত্যের সব দিকপালের শরণাপন্ন হয়েছেন তার গল্পের চিত্রনাট্যে। তার পঠন পাঠনের বিস্তৃতি কম নয়। তার চিত্রনাট্যও রাঙিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে শহীদুল, জহিরসহ সকলের রঙে।

তাই এখন অভিশাপ হয়ে যাচ্ছে নাটকের পরিচালকদের জন্য। গল্পহীনতার নাটকে সবচেয়ে বড় আশ্রয় ছিল জোর করে হাসি কিংবা কান্নার ছড়াছড়ি। যে দুটোই দর্শক ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে কয়েক বছর যাবৎ। আশীর্বাদ এই কারণে, নাটককে এখন ফিরতেই হবে গল্পের কাছে। ভেতরে কিছু থাকতেই হবে। হুট করে হাসি-কান্না এখন ঢাল হিসেবে নিরাপদ নয় পরিচালকদের জন্য। দর্শক এখন সময়ের মূল্য সম্পর্কে সচেতন। তারা সময়ের মূল্য খোঁজে। জানতে চায়, আপনি এখানে কেনো অযথা হাসলেন? কেনইবা কান্না জুড়ে দিলেন? সামনে দর্শকের প্রশ্নের তীর যতটা ধারাল হচ্ছে, ততটা বিদ্ধ হতে প্রস্তুত কি পরিচালকগণ?

লেখক : সাংবাদিক/ (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

 

 

এজেড এন বিডি ২৪/ তন্নি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x