রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
করোনায় প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন সেই বিচারকের ভুল ছবি দিয়ে তসলিমার টুইট সিডরে ভেসে যাওয়া সেই রিয়া এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিশ্বকাপে কোন দল কত টাকা পেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কতটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ছক্কার রাজা পরিবহণ ধর্মঘট বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা বৈঠক হঠাৎ স্থগিত আফগানরা না জিতলে কী করবে ভারত, জানালেন জাদেজা শেষ দুই বলের ছক্কায় উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৫৭ বিদায় ইউনিভার্স বস মোশাররফ করিমের সঙ্গী হচ্ছেন পার্নো মিত্র ‘জীবনটা কফির মতো’ দাবি না মানলে ধর্মঘট চলবে চট্টগ্রামে পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহার পুরো কুরআনের ক্যালিগ্রাফি এঁকে প্রশংসায় ভাসছেন তরুণী দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি
দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি

দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি

স্পোর্টস ডেস্কঃ  সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে কাট ফাটা রোদে পুড়ে বাংলাদেশের পতাকা আর লাল-সবুজের রঙে তৈরি মাথার ব্যান্ড বিক্রি করছেন এই যুবক। শুধু লাল-সবুজের ফেরিওয়ালা তিনি। অন্য কোনো দেশের পতাকা বা ব্যান্ড নেই তার কাছে।

মরুরাজ্যে এমন ফেরিওয়ালা দেখলে বিস্ময়ের সাথেসাথে আনন্দে বুক ভরে যাওয়ার কথা যে কোনো বাংলাদেশির। মাঠের বাইরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা সেই ফেরিওয়ালাও বাংলাদেশি। এই যুবকের নাম পাভেল আহমেদ।

মূলত দুবাইয়ে তিনি ফেরি করে ফেরেন না। দেরা দুবাই নামক এলাকায় এক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এই প্রবাসী বাঙালি।

তবে কেন সেই চাকরি ছেড়ে এসে পতাকার ফেরিওয়ালা হয়েছেন? বাংলাদেশের এক গণমাধ্যমকর্মীকে পাভেল মাহমুদ সহাস্যে জানালেন, শখে বসে মরুভূমির তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে কাজটি করছেন তিনি। বাংলাদেশকে ভালোবেসে, ক্রিকেটকে ভালোবেসে ফেরিওয়ালা হয়েছেন তিনি। আর এই পতাকা, ব্যান্ড তার নিজের হাতে তৈরি।

গণমাধ্যমকর্মীকে তিনি বলেন,‘গত ১০ বছর ধরে দুবাইয়ে আছি। এখানের একটা দোকানে কাজ করি। বাংলাদেশের খেলা থাকলে ছুটি নিয়ে চলে আসি। এর আগে এশিয়া কাপের ম্যাচও দেখেছি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো গ্যালারিতে বসেই দেখেছি । এই যে হাতে পতাকা আর ব্যান্ড দেখছেন এগুলো আমি নিজেই তৈরি করেছি। এগুলো বিক্রি করতে বেশ আনন্দ লাগে।এসব বিক্রি করার পাশাপাশি খেলাটা উপভোগ করি আরকি। যদিও এবার আনন্দটা হয়নি তেমন। আমার অন্য দেশের বন্ধুরা দল জিতলে কত আনন্দ করে। কিন্তু এবার আমরা পারলাম না।’

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x