সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের বাধ্যবাধকতা তুলে নিল সৌদি নুসরাতের মামলা: অসংলগ্ন অনুমান আর কল্পনা মানুষের জীবনের থেকেও কি ধর্ম বড়, প্রশ্ন শ্রীলেখার স্ত্রীকে রেখে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক হাতির পিঠে চড়ে মনোনয়ন জমা সনাতন ধর্মাবলম্বীর সৎকারে এগিয়ে এলো মুসলিমরা আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম বগুড়ার অপু বিশ্বাস যেভাবে সিনেমার নায়িকা হলেন শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল স্কটল্যান্ড মালিঙ্গাকে পেছনে ফেলে বিশ্ব রেকর্ড সাকিবের কাপাসিয়ায় ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ৫০ জন লক্ষ্মীপুরে ৪ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ২৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল বাংলাদেশের দাপুটে বোলিংয়ে কোণঠাসা স্কটল্যান্ড
ছেলেকে খুঁজতে বের হয়ে যেভাবে নেপাল গেলেন আমেনা

ছেলেকে খুঁজতে বের হয়ে যেভাবে নেপাল গেলেন আমেনা

অনলাইন ডেস্কঃ স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারে নেমে আসা অভাব ঘোচাতে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান আমেনা খাতুনের মেজ ছেলে ফটিক হোসেন। ছেলের শূন্যতা ও অভাবের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আমেনা। এক সময় অন্য ছেলে ও তাদের স্ত্রীদের ওপর অভিমান করে বাড়ি ছাড়েন।

বাড়ি ছাড়ার ২২ বছর পর আবার বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছোট চাপড়া গ্রামে ফিরে এসেছেন আমেনা। মাঝের সময়টা ছিলেন নেপালের কাঠমুন্ডুতে। কাজ করতেন একটি হোটেলে। ২২ বছর আগে তিনি নেপালে গিয়েছিলেন পায়ে হেঁটে। সেখানে কাজ করার ফাঁকে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ছেলে ফটিক হোসেনকে খুঁজতেন।

আমেনার বয়স এখন প্রায় ৮০। সোমবার তাকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান স্বজনরা। মঙ্গলবারের সকালটা দেখেছেন নিজ জন্মস্থান ধুনট উপজেলার ছোট চাপড়া গ্রামে বসে। এর আগেই তার দেশে ফেরার কথা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামেও। ভোর থেকেই উৎসুক মানুষ আমেনাকে দেখতে ভিড় করেন ছোট চাপড়া গ্রামে তার বড় ছেলে আমজাদ হোসেনের বাড়িতে।

আমেনা জানান, তিনি এখনো মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন। অনেক প্রশ্নের উত্তরে চুপ করে থাকেন। মাঝেমধ্যে কথা বলেন। গ্রামের আঞ্চলিক ভাষা এখনো ভোলেননি। প্রতিবেশীদেরও চিনতে পারেন। অনেকের নাম ধরেও ডাক দেন।

নেপালে কীভাবে গেলেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান- বাড়ি থেকে বের হয়ে যশোর হয়ে খুলনায় যান। সেখান থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মন্দির দেখতে যান। ওই মন্দিরে আসা ভারতীয় পুণ্যার্থীদের সঙ্গে হেঁটে সীমানা পাড়ি দেন। ভারতে গিয়ে হেঁটে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় চলে যান নেপালে।

আমেনা জানান, নেপালের কাঠমুন্ডুতে একটি হোটেলে কাজ শুরু করেন। সময় পেলেই সেখানকার রাস্তায় ঘুরে ছেলে ফটিকের সন্ধান করতেন। তিনি জানতেন, ছেলে বিদেশে গেছে। নেপাল যেহেতু বিদেশ, তাই এখানে খুঁজলে ছেলেকে পাবেন।

ভারতের সীমানা পাড়ি দিয়ে কীভাবে নেপাল গিয়েছেন তা বলতে পারেননি আমেনা খাতুন।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x