রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
করোনায় প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন সেই বিচারকের ভুল ছবি দিয়ে তসলিমার টুইট সিডরে ভেসে যাওয়া সেই রিয়া এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিশ্বকাপে কোন দল কত টাকা পেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কতটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ছক্কার রাজা পরিবহণ ধর্মঘট বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা বৈঠক হঠাৎ স্থগিত আফগানরা না জিতলে কী করবে ভারত, জানালেন জাদেজা শেষ দুই বলের ছক্কায় উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৫৭ বিদায় ইউনিভার্স বস মোশাররফ করিমের সঙ্গী হচ্ছেন পার্নো মিত্র ‘জীবনটা কফির মতো’ দাবি না মানলে ধর্মঘট চলবে চট্টগ্রামে পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহার পুরো কুরআনের ক্যালিগ্রাফি এঁকে প্রশংসায় ভাসছেন তরুণী দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি
চট্টগ্রামে সাগরে মিলছে না ইলিশ, হতাশ জেলেরা

চট্টগ্রামে সাগরে মিলছে না ইলিশ, হতাশ জেলেরা

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রামে জেলেদের জালে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ছে না। যেন সাগরে চলছে ইলিশের আকাল। এতে হতাশ জেলেরা। অনেকে যে খরচ করে সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেন, সেই টাকাই তুলছে পারছেন না। ইলিশের অভাবে খাঁখাঁ করছে চট্টগ্রামের আড়তগুলো। নেই ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁক-ডাক। চলতি বছরের প্রথম মৌসুমে জেলেরা প্রত্যাশা অনুযায়ী ইলিশ পাননি। এখন শেষ মৌসুমেও জালে ইলিশ না পড়ায় তাদের কপালে দেখা দিয়েছে চিন্তার ভাঁজ।

নগরীর আকমল আলী ঘাটের জেলে পরিতোষ দাশ বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে মনে করেছিলাম আগের মতো ইলিশ ধরা পড়বে। কিন্তু সে আশার গুড়ে বালি। ইলিশ নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছর অভিযান শেষে অনেক মাছ ধরা পড়েছে এবং আড়তে এসেছে। কিন্তু এবার তার দশ ভাগের এক ভাগ মাছও উঠছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছি। কিভাবে পরিবার চালাব বুঝতে পারছি না। মহাজনের দাদনের টাকাই বা শোধ করব কীভাবে।’

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে ইলিশ শিকারে সাগরে নেমেছেন চট্টগ্রামের জেলেরা। মহানগরীর ফিশারিঘাট, রাসমনি ঘাট, আনন্দ বাজার, উত্তর কাট্টলি, দক্ষিণ কাট্টলি, আকমল আলী ঘাটে আগের মতো ইলিশ আসছে না। এছাড়াও জেলার বাঁশখালী, মীরসরাই, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় এলাকায়ও ইলিশ তেমন ধরা পড়ছে না। ফলে চট্টগ্রামের বাজারে ইলিশ নেই বললেই চলে। অল্প যা মিলছে তার দাম আকাশ ছোঁয়া।

নগরী ফিশারি ঘাট থেকে মাছ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের হাতে সমুদ্রের তাজা মাছ তুলে দিতে এখান থেকে মাছ সংগ্রহ করেন নগরের মাছ বাজারের খুচরা বিক্রেতারা। ফিশারি ঘাটে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ আনলেও ইলিশ তেমন আসছে না বলে জানান আড়তদাররা। তারা বলেন, যে যেসব নৌকা বা ট্রলার সাগরে গেছে, সেগুলো পর্যাপ্ত ইলিশ পাচ্ছে না। ফিশারি ঘাটে চারশ-পাঁচশ গ্রাম ওজনের ইলিশের পাইকারি দাম এখন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, ছয়শ-আটশ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে। অথচ নিষেধাজ্ঞার আগে এই ঘাটে এর অর্ধেক দামে ইলিশ বিক্রি হয়েছিল।

চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটের জেলেরা জানান, ইলিশের মৌসুম এখন মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। ইলিশ আগের মতো ধরা পড়ছে না। নিষেধাজ্ঞার আগে জোয়ার শুরু হলে জেলেরা রুপালি ইলিশ নিয়ে বিভিন্ন ঘাটে ট্রলার ভেড়াতেন। কিন্তু এখন তার উল্টো চিত্র। ইলিশ ধরা পড়ছে খুবই কম। আগের তুলনায় হিসাব করলে শতকরা ১০ শতাংশ ইলিশ ধরা পড়ছে। কম ধরা পড়ার কারণে দামও চড়া। তীরে মাছ বোঝাই ট্রলার ভিড়লেই হামলে পড়েন ব্যবসায়ীরা।

নগরীর আকমল আলী ঘাট ও ফিশারি ঘাট এলাকায় শুক্রবার গিয়ে দেখা যায়, সাগরে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে জেলেরা মন খারাপ করে বসে আছেন। ফিশারিঘাটে জেলেরা জাল গুটিয়ে অলস সময় পার করছেন। আবার কেউ কেউ জাল-দড়ি পরিষ্কার করছেন। অন্যান্য বছর এসময়ে সাগরে থাকত ট্রলারের মিছিল। জাল ফেললেই ধরা পড়ত রুপালি ইলিশ। জেলেদের মুখে থাকত আনন্দের হাসি।

কয়েকজন জেলে জানান, ইলিশ শিকারের লক্ষ্যে ধার-দেনা করে জাল-দড়ি বানিয়েছিলেন অনেকে। পরিকল্পনা ছিল মাছ বিক্রি করে ঋণ শোধ করবেন। কিন্তু আশানুরূপ মাছ না পাওয়াতে তাদের এবার খরচের টাকাই উঠছে না। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে পড়েছেন তারা।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x