বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
শেষ ওভারে সাইফউদ্দিনের তাণ্ডব দ্বিতীয় ওভারেই সাইফউদ্দিনের সাফল্য অষ্টম শ্রেণিতে পড়েই এসপির চেয়ারে নুসরাত মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা কে এই ইকবাল? প্রকাশ পেল যুবলীগের চিঠি সংকলন গ্রন্থ ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ ঝিনাইদহে ছিনতাইকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার পাপুয়া নিউগিনিকে ১৮২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ অর্থপাচার মামলা: কুয়েতে দণ্ডপ্রাপ্ত পাপুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২২ ডিসেম্বর ফিফটির পর সাজঘরে মাহমুদউল্লাহ অর্ধশতক হাঁকিয়ে ফিরলেন মাহমুদুল্লাহ পাপুয়া নিউগিনিকে ১৮২ রানের টার্গেট দিল টাইগাররা ৩৯ বছর আগে পাপুয়া নিউগিনির কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ রিয়াদের দ্রুততম ফিফটিতে বাংলাদেশের বিরাট সংগ্রহ জামিন পেলেন সেই চিত্ত রঞ্জন দাস পুলিশের ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে রাজধানীতে ফের নিজের মোটরসাইকেলে আগুন
ঘরের টিন বেচে ‘গাঁজা’ খেলেন স্বামী-স্ত্রী

ঘরের টিন বেচে ‘গাঁজা’ খেলেন স্বামী-স্ত্রী

অনলাইন ডেস্কঃ গাড়ি চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন নাজিম। করেছেন বিয়েও। কিছুদিন হলো তাকে গাড়ি চালাতে দিচ্ছেন না কেউ। নাজিম একজন মাদকসেবী বলে অভিযোগ মালিকদের। মা-বাবারও একই অভিযোগ। ছেলের ভয়ে বাড়ি ছেড়েছেন তারা। থাকেন আশ্রয়ণ প্রকল্পে।

টাকা না থাকায় মাদক সেবন করতে পারছিলেন না নাজিম। তাই ‘মাদকের টাকা’ জোগাড় করতে ঘরের টিন খুলে বিক্রি করেছেন তিনি। এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এখন ঘরের খুঁটি বিক্রির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।

নাজিমের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাইমহাটি গ্রামে। তার বাবার নাম আবু সাইদ কুলু। সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলে।

বাবা আবু সাইদ কুলুর দাবি, প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে রঙিন টিন দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন। মাদকের টাকার জন্য নাজিম নিয়মিত তাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানো শুরু করে। টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেয়। এর মধ্যে সরকার থেকে দেওহাটা আশ্রয়ণ প্রকল্পে জমিসহ ঘর দিলে তিনি স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সেখানে চলে যান। নাজিম স্ত্রীকে নিয়ে এ বাড়িতেই থাকে। গাড়ি চালাতে না পেরে মাদকের টাকা জোগাড় করতে ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করতে শুরু করে। দু-একটা করে টিন খুলে বিক্রি করতে থাকে। তিন মাসের মধ্যে ঘরের সব টিন বিক্রি করে দিয়েছে।

নাজিমের চাচা আমজাদ হোসেন বলেন, ঘরটি ৩৫ হাজার টাকা দাম হয়েছিল। কিন্তু ওর মা বিক্রি করেননি। প্রতিদিন ১-২ ফাইল করে টিন খুলে বিক্রি করতে করতে সব টিন বিক্রি শেষ। নাজিম ও তার স্ত্রী একসঙ্গে মাদক সেবন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই অভিযযোগ নাজিমের বড় ভাই সাইফুলেরও। তার ঘরের টিনও খুলে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ তার। প্রতিবাদ করলে হত্যার হুমকি দেয় বলে দাবি সাইফুলের।

নাজিমের স্ত্রী নিজের মাদক সেবনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে স্বামী নাজিম গাঁজা সেবন করে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

অভিযুক্ত নাজিম বলেন, তিন ভাইকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন বাবা-মা। আমাকেও একটা অটোরিকশা কিনে দিতে বলেছিলাম। ঘরটি বিক্রি করে একটি অটোরিকশা কিনে দিতে বলেছিলাম। বাবা-মা রাজি হননি। টাকার প্রয়োজন হওয়ায় টিন খুলে বিক্রি করেছি।

অভিযোগ পেলে আনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর থানার ওসি শেখ রিজাউল হক।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জোবায়ের হোসেন বলেন, মাদক সেবনের প্রমাণ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মধ্যমে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x