বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে গেল পাকিস্তান খাগড়াছড়িতে জাতীয় পতাকা প্রদক্ষিণ শোভাযাত্রা যশোরে আনসার-ভিডিপি’র পতাকা র‌্যালি মাদারীপুরে আনসার ও ভিডিপির পতাকা র‍্যালি মানিকগঞ্জে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পতাকা র‌্যালি কক্সবাজারে যাত্রা শুরু হলো দেশের প্রথম উড়ন্ত রেস্টুরেন্টের টপ চারের একি হাল! লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকায় পুলিশ সদস্যকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা সমুদ্রে ডাকাতি, উপকূলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মুক্তিপণ আদায় তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকীতে নেই কোনো সরকারি কর্মসূচি জাহাঙ্গীর আলম কি আওয়ামী লীগে একজনই? বাংলাদেশের পঞ্চাশে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের প্রাসঙ্গিকতা পথশিশুদের নিয়ে এম এ রশিদের গান ডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাস ‘উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও জনতা’র নামে পুলিশের মামলা, আসামি ৮০০
এখনো আশায় মাহমুদউল্লাহ

এখনো আশায় মাহমুদউল্লাহ

স্পোর্টস ডেস্কঃ  ‘টি ২০ ক্রিকেটে কিছু ম্যাচ আপনি জিতবেন, কিছু হারবেন,’ বললেন মাহমুদউল্লাহ। খাঁটি কথা। কিন্তু এটা বললেন না যে, জেতা ম্যাচও আপনি হারবেন, যদি আত্মঘাতী শট খেলার মনোবাসনা থাকে আপনার। শারজায় কাল যার প্রদর্শনী করলেন মুশফিকুর রহিম। শেষ বলে মাহমুদউল্লাহ বাউন্ডারি হাঁকাতে ব্যর্থ হলে তিন রানের হার মেনে নিতে হয় বাংলাদেশের। শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশের যখন প্রয়োজন ৩০ রান, রবি রামপলের ওভারের প্রথম বলে চার মারেন লিটন দাস।

শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন হয় ২২ রানের। ১৯তম ওভারে ডুয়ানে ব্রাভোর প্রথম বলে দারুণ এক ছক্কা মারেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ওই ওভারের শেষ বলেই ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানায় হোল্ডারের দুর্দান্ত ক্যাচে আউট লিটন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। হয়েছে মাত্র নয়। শেষ বলে চার রানের সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ মাহমুদউল্লাহ। এমন সহজ ম্যাচ কীভাবে হারে বাংলাদেশ?

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক জানালেন লিটনের আউটই ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে দলকে। তিনি বলেন, ‘লিটনের উইকেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দুজনই সেট ব্যাটসম্যান ছিলাম। সেটা যদি ছয় হয়ে যেত … লম্বা ফিল্ডার বাউন্ডারিতে (হোল্ডার) থাকলে কিছুটা সুবিধা পাওয়া যায়।’

টানা তিন ম্যাচ হেরে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের আশা কার্যত শেষ। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ মনে করছেন এখনো অনেক কিছু পাওয়ার আছে দলের। তিনি বলেন, ‘দলের এখনো অনেক পাওয়ার আছে। সেমিফাইনালের আশা হয়তো ক্ষীণ হয়ে গেছে। কিন্তু দুটি ম্যাচ এখনো বাকি আমাদের। আমরা যদি জিততে পারি, দলের জন্য ভালো কিছু হবে। আমরা সবাই মরিয়া হয়েই চেষ্টা করছি মাঠে শতভাগ দেওয়ার। ভুল হচ্ছে কিন্তু শেষ দুই ম্যাচ জেতার চেষ্টা করব।’ এমন হার নিয়ে তিনি বলেন, ‘উইকেট কিছুটা কঠিন ছিল। আমাদের বোলাররা ভালোই বোলিং করেছে।

যেসব সুযোগ পাওয়া গেছে সেগুলো যদি কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে হয়তো ১০/১৫ রান কম হতো ওদের। আমাদের জন্য লক্ষ্যটা সহজ হয়ে যেত তখন। আমরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু জিততে পারিনি। এটাই টি ২০ ক্রিকেট। আপনি কখনো জিতবেন, কখনো হারবেন।’

১৪৩ রানের লক্ষ্যে কখন ম্যাচটি ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলো? এই প্রশ্নের উত্তরে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমার ও লিটনের জুটি জমে গিয়েছিল। আন্দ্রে রাসেলের শেষ ওভারের আগে ব্রাভোর বলে যদি ছয় (লিটনের শটে) হয়ে যেত, তাহলে আমরা অনেক এগিয়ে যেতাম। এটা একটা বড় টার্নিং পয়েন্ট। লিটন সেট ছিল। দুই সেট ব্যাটসম্যান যদি শেষ ওভারে থাকতে পারতাম, তাহলে দুজনের একজন শেষ বলে একটি বাউন্ডারি, ছয় বা ইতিবাচক কিছু আসতে পারত। শেষ বলটা আমি কাজে লাগাতে পারিনি।’

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x