বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৬:১২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- aznewsroom24@gmail.com ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
করোনায় প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন সেই বিচারকের ভুল ছবি দিয়ে তসলিমার টুইট সিডরে ভেসে যাওয়া সেই রিয়া এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিশ্বকাপে কোন দল কত টাকা পেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কতটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ছক্কার রাজা পরিবহণ ধর্মঘট বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা বৈঠক হঠাৎ স্থগিত আফগানরা না জিতলে কী করবে ভারত, জানালেন জাদেজা শেষ দুই বলের ছক্কায় উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৫৭ বিদায় ইউনিভার্স বস মোশাররফ করিমের সঙ্গী হচ্ছেন পার্নো মিত্র ‘জীবনটা কফির মতো’ দাবি না মানলে ধর্মঘট চলবে চট্টগ্রামে পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহার পুরো কুরআনের ক্যালিগ্রাফি এঁকে প্রশংসায় ভাসছেন তরুণী দুবাইয়ে বাংলাদেশের পতাকার ফেরিওয়ালা তিনি
আজান দেয়ারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

আজান দেয়ারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফজরের নামাজের আজানরত অবস্থায় হাসানি নামের মিসরী এক মুয়াজ্জিনের ইন্তেকাল হয়েছে। তার এমন সুন্দর মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মুয়াজ্জিনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি নিজেদেরও যেন এরকম ‘খাতেমাহ বিল-খাইর’ (উত্তম বিদায়) হয়, আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করছেন।

শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোরে মিসরের আল-মানুফিয়া জেলার আল-বাজাউর এলাকার এক মসজিদে এই ঘটনা ঘটে বলে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজানের ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ (নামাজের জন্য এসো)-এই অংশটুকু বলা শেষ হওয়ার পর মুয়াজ্জিন আলহাজ হাসানির ইন্তেকাল হয়।

স্থানীয়রা জানান, তিনি আদতে অত্যন্ত ভালো এবং সদাচারী একজন মানুষ ছিলেন।

আলহাজ হাসানির পুত্র মাহমুদ হাসানি জানান, কয়েক বছর যাবত তার বাবা মহল্লার মসজিদে স্বেচ্ছায় এবং বিনা পারিশ্রমিকে আজান দেন। শুধু তিনি-ই নামাজি ছিলেন না; বরং অন্যদেরও নামাজের প্রতি যত্নবান হতে দাওয়াত দিতেন।

ইন্তেকালের দিনের ঘটনা বর্ণনা করে মাহমুদ হাসানি বলেন, ‘প্রতিদিনের মত শুক্রবারও ভোরে অজু করে আমার বাবা মসজিদে যান। তিনি আজান শুরু করেছেন, আমরা তাও শুনি। কিন্তু হঠাৎ ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ বলার পরে আর কোন আওয়াজ শোনা যায়নি। আমরা দৌঁড়ে মসজিদে গেলাম একথা জানতে যে, কেন আজান পরিপূর্ণভাবে দেওয়া হলো না। কিন্তু যখন আমরা মসজিদে প্রবেশ করি, তখন দেখি আমার পিতা মসজিদের মেঝোতে কিবলামুখী হয়ে পড়ে আছেন। বুঝতে পারি-তিনি আর পৃথিবীতে নেই।

এজেড এন বিডি ২৪/হাসান

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2021, All rights reserved aznewsbd24
x