শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় পাঠক, শুভেচ্ছা নিবেন। সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের ওয়েব সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমার ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে ফলো অপশনে সি-ফাষ্ট করে সঙ্গেই থাকুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে স্বল্পমূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01855883075 ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সংবাদ :
তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ত্রিপুরার নীল রানাউত ধর্ষণের দায়ে ৭ পুরুষকে হত্যা করেন যে নারী! কাঞ্চন বলছে মাসে সাড়ে ৩ লাখ টাকা চেয়েছি, প্রমাণ কী : পিঙ্কি ওসি প্রদীপের সহযোগী কনস্টেবল সাগরের আত্মসমর্পণ এবার ইন্দিরা গান্ধী চরিত্রে কঙ্গনা, পরিচালনাও করবেন তিনি ব্রাজিলের সেই গোল নিয়ে বিতর্ক থামছেই না, দেখুন ভিডিও জর্ডান-ইরানের গ্রুপে সাবিনা-মৌসুমিরা জেলের জালে ধরা পড়লো শুশুক, কিনে জরিমানা গুনলেন দুজন তেত্রিশ বসন্ত পেরিয়ে চৌত্রিশে মেসি নির্মাণ হচ্ছে আটটি আধুনিক সাইলো জীবিকার চাকা সচল রাখতে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার শনিবার থেকে পিরোজপুরের ৪ পৌর এলাকায় লকডাউন সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন করোনায় ভুগে হতাশা-যন্ত্রণায় আত্মহত্যা জেনারেল র‍্যাংক ব্যাজ পরানো হলো নতুন সেনাপ্রধানকে
আলু-ডিমে স্বস্তি, ভোজ্যতেল-চিনির দামে অস্বস্তি

আলু-ডিমে স্বস্তি, ভোজ্যতেল-চিনির দামে অস্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাতদিনের ব্যবধানে রাজধানীর ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি লিটার তেলের দাম দুই থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে চিনি দাম। তবে সবজি, নতুন আলু ও ডিমের দাম কমেছে। স্থিতিস্থাবতায় রয়েছে চাল, মুরগি, গরু, খাসিসহ অন্যান্য মাংসের দাম।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাওরান বাজার, মোহাম্দপুর মার্কেট, মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর-১ নম্বর বাজার, ২ নম্বর বাজার, ৬ নম্বর বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কলোনি বাজার, মিরপুর-১৩ নম্বর বাজার, কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে মিলেছে দ্রব্যপণ্যের মূল্যের এমন চিত্র।

সাতদিনের ব্যবধানে সবজি বাজারে প্রতি কেজি মুলায় পাঁচ টাকা কমে ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শালগম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়, শিম ২০ টাকায়, বেগুন ২০ টাকায়, গাজর ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, করলা ৩০ টাকায়, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, কেজি প্রতি কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, পাকা টমেটো ৩০ টাকায়, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়, ১০ টাকা কমে বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, ফুলকপি ১০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

হালিতে পাঁচ টাকা কমে কাঁচকলা ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, প্রতিকেজি জালি কুমড়া ৩০ টাকায়, ছোট মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কেজিতে পাঁচ টাকা কমে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দামে। এছাড়াও আদা প্রতিকেজি ৮০ টাকা, রসুনের কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতিকেজি চিনিতে পাঁচ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতিকেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়, পায়জাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, নাজিরশাইল ৬০ টাকায়, পোলাওয়ের চাল ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা ভোজ্যতেল লিটারে দুই থেকে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২৭ থেকে ১৩০ টাকায়।

মিরপুর-১৩ নম্বর বাজারের খুচরা তেল বিক্রেতা মামুন হোসেন  বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের ব্যারেল প্রতি দাম বেড়েছে। ফলে সাতদিনের ব্যবধানে আবার খুচরা বাজারে লিটার প্রতি দুই টাকা থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। শীতের মৌসুমে বাজারে শ্রমিক কম থাকায় তেলের উৎপাদনও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তাই ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়তে পারে।

এদিকে বাজারে ডিমের দাম কমেছে। এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৬০ টাকা, ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

১০ টাকা দাম কমে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি। ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। এসব বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংস। এছাড়া মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়, মহিষের মাংস ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকায়।

বাজারে প্রত কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ৬০০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়, ইলিশ প্রতিকেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১০০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকায়, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়, টেংরা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকায়, তেলাপিয়া ১৪০ টাকায়, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়, দেশি কৈ মাছ ৭০০ টাকায়, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, গুড়া বেলে ১২০ টাকায়, রূপচাঁদা মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, আইর মাছ ৫০০ টাকায়, রিঠা মাছ ২২০ টাকায় ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ নম্বর বড় বাজারের মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গির মিয়া বলেন, বাজারের ক্রেতার সংখ্যা অনেক কমেছে। মাছের ব্যবসা তেমন নেই। করোনার কারণে মানুষজন বাজারেও তেমন আসছেন না। বৃহস্পতিবার মাছ বাজারে একজন কাস্টমারও আসেননি। এলাকায় ফেরিওয়ালারা ঘুরে ঘুরে মাছ বিক্রি করায় ক্রেতারা বাজারে কম আসছেন। ফেরিওয়ালারা বাজারের তুলনায় বাড়ি-বাড়ি গিয়ে কম দামে মাছ বিক্রি করছেন। সব মিলিয়ে আমাদের ব্যবসায় মন্দা চলছে।

মিরপুর ১৩ নম্বর এলাকার বাসিন্দা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রুবায়াত ইসলাম বলেন, বাজার ঘুরে দেখেছি, সবজির দাম কমেছে। তবে মাছের দাম খানিকটা বেড়েছে।  এদিকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভোজ্যতেল আর চিনির দাম বেড়েছে।

এজেড এন বিডি ২৪/ রামিম

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved@2021 aznewsbd24.com
Design & Developed BY MahigonjIT